নিজেকে টুইটারের সিইও হিসেবে নিয়োগ করেছেন মাস্ক
নিজেকে টুইটারের সিইও হিসেবে নিয়োগ করেছেন মাস্ক

সংগৃহীত ছবি

নিজেকে টুইটারের সিইও হিসেবে নিয়োগ করেছেন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম টুইটার কিনেই এর তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। এবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছেন এই ধনকুবের। এ ছাড়া নিজেকে টুইটারের সিইও হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন মাস্ক। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, সোমবার (৩১ অক্টোবর) টুইটারের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নিজেকে কোম্পানিটির সিইও হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ইলন মাস্ক। বর্তমানে কোম্পানিটির একমাত্র পরিচালক হিসেবে রয়েছেন তিনি।

গার্ডিয়ান বলছে, মাস্কের এমন কার্যকলাপে চাকুরিচ্যুত হওয়ার ভয়ে রয়েছেন টুইটারের কর্মচারীরা। এমনকি কোম্পানিটির এক চুতর্থাংশ কর্মী কর্ম হারা করবেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, সোমবার মাস্ক ও তার টিম একটি বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকের নেতৃত্ব দেন মাস্কের আইনজীবী অ্যালেক্স স্পিরো। সেখানে প্রথম দফায় টুইটারের ২৫ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

গত সপ্তাহে ৪ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে টুইটার কিনেছেন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান মাস্ক। টুইটারের মালিকানা গ্রহণের পরই পরাগ আগারওয়ালকে কোম্পানির সিইওর পদ থেকে বরখাস্ত করেন মাস্ক। একই সঙ্গে তিনি কোম্পানির আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেন। আর সবশেষ বৈঠকে আরও কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। যদিও আগে কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে ‘না’ বলেছিলেন এই ধনকুবের।

পরিচালনা পর্ষদের সবাইকে বরখাস্ত নিয়ে এক টুইট বার্তায় মাস্ক বলেন, ‘বোর্ডের বিলুপ্তি অস্থায়ী। ’ এর আগে নিজেকে টুইটারের সিইও হিসেবে পরিচয় দিয়ে নিজের বায়ো পরিবর্তন করেন মাস্ক।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত টুইটার কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।

তথ্যানুসারে, ২০২১ সালের শেষ নাগাদ পর্যন্ত টুইটারে ৭ হাজার কর্মী কাজ করতেন।

ঋণের দেনা পরিশোধে কর্মী ছাঁটাই করতে পারেন মাস্ক এমনটা আগে থেকেই জানিয়েছিল পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমগুলো। তবে ওই সময় এসব প্রতিবেদনকে মিথ্যা আখ্যা দিয়েছিলেন মাস্ক। তবে এখন সেই প্রতিবেদনগুলোই সত্যি হচ্ছে।

news24bd.tv/মামুন

এই রকম আরও টপিক