দীর্ঘতম মন্দার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য
দীর্ঘতম মন্দার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য

সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘতম মন্দার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য

অনলাইন ডেস্ক

প্রথমে মহামারি করোনাভাইরাস ও পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, এতেই নাস্তানাবুদ যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি। রেকর্ড পরিমাণ হয়েছে মূল্যস্ফীতি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে হু হু করে। অর্থনৈতিক সমস্যার জেরে পরিবর্তন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী।

এতো সংকটে থাকা যুক্তরাজ্য আরও বড় বিপদের সম্মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে সুদের হার বাড়িয়েছে দেশটি। তবে এতে করে যুক্তরাজ্য দীর্ঘতম মন্দার মুখোমুখি হচ্ছে। খবর বিবিসির।

ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড সতর্ক করে জানিয়েছে, ৩৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদের হার বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য। এর জেরে রেকর্ড দীর্ঘতম মন্দার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দেশটি। আগামী দুই বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সাল নাগাদ দেশটিতে বেকারত্বের হার দ্বিগুণ হবে। এ সময়টা খুব চ্যালেঞ্জিং হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি বলেছেন, ‘গৃহস্থালির খরচ আরও বাড়বে। এক অমৃসণ পথ পাড়ি দিতে হবে। সমানের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ’

বিবিসি বলছে, মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে সুদের হার ৩ শতাংশে নিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। যা আগে ছিল ২ দশমিক ২৫ শতাংশ। ১৯৮৯ সালের পর এটি সর্বোচ্চ সুদের হার।

যুক্তরাজ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত ব্যয় বেড়েছে। এ ব্যয় কমাতে সুদের হার বাড়িয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি বছরের শেষের দিকে যুক্তরাজ্য মন্দায় পড়বে এমনটা আগেই বলেছিল ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। ওই সময় তারা বলেছিল, এই মন্দা আগামী বছরেও স্থায়ী হবে। তবে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।

বর্তমানে তারা বলছে, গত গ্রীষ্মে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি একটি চ্যালেঞ্জিং মন্দায় প্রবেশ করেছে। এ অবস্থা পরের বছর ও ২০২৪ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত থাকবে।

ব্যাংকটি বলেছে, এবারেরটি যুক্তরাজ্যের গভীরতম মন্দা হবে না। তবে ১৯২০ এর সালে রেকর্ড শুরু হওয়ার পর থেকে এটি দীর্ঘতম হবে।

দেশটিতে বেকারত্বের হার বর্তমানে ৫০ বছরের জন্য সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। তবে এটি প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

news24bd.tv/মামুন