এক অজুতে একাধিক নামাজ আদায়ের বিধান
এক অজুতে একাধিক নামাজ আদায়ের বিধান

সংগৃহীত ছবি

এক অজুতে একাধিক নামাজ আদায়ের বিধান

অনলাইন ডেস্ক

শীত পড়তে শুরু করেছে। এসময় নামাজি বান্ধারা কিছুটা কষ্টের সম্মুখীন হন দিনে ৫ ওয়াক্ত নামাজের আগে অজু করা নিয়ে। তবে অজু থাকলে বারবার অজু করার প্রয়োজন হয় না। যদিও অজু থাকার পরও প্রত্যেক সালাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন করে অজু করে নিতেন।

কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম অজু না ভাঙা পর্যন্ত এক অজুতে কয়েক ওয়াক্ত সালাত আদায় করতেন। তবে মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) এক অজুতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছিলেন। সুতরাং অজু থাকলে এক অজুতে একাধিক নামাজ পড়া জায়েজ আছে।

তবে নতুন করে অজু করে নেওয়া উত্তম।

এ বিষয়ে বর্ণিত কয়েকটি হাদিস হলো :
আমর ইবন আমির আনসারি (রহ.) বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা.)-কে বলতে শুনেছি : নবী (সা.) প্রত্যেক নামাজের ওয়াক্তে নতুন করে অজু করতেন। আমি আনাস (রা.)-কে প্রশ্ন করলাম, আপনারা কী করেন? তিনি বলেন, আমাদের অজু নষ্ট না হলে একই অজুতে আমরা সব ওয়াক্তের নামাজ আদায় করে নিই। (তিরমিজি, হাদিস : ৬০)

অন্য হাদিসে এসেছে, আনাস (রা.)  বলেন, নবী (সা.) প্রত্যেক সালাতের সময় অজু করতেন। আমি বললাম : আপনারা কী করতেন? তিনি বললেন, হাদাস (অজু ভঙের কারণ) না হওয়া পর্যন্ত আমাদের (আগের) অজু যথেষ্ট হতো। (বুখারি, হাদিস : ২১৪)

রাসুলুল্লাহ (সা.) একই অজুতে সব নামাজ আদায় করার কথাও হাদিসে এসেছে। সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রা.) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী (সা.) প্রতি ওয়াক্তের নামাজের জন্য নতুনভাবে অজু করতেন। তিনি মক্কা বিজয়ের দিন একই অজু দিয়ে সব ওয়াক্তের নামাজ আদায় করলেন এবং মোজার ওপর মাসাহ করলেন। উমর (রা.) বলেন, আপনি এমন একটি কাজ করলেন, যা এর আগে কখনো করেননি। রাসুল (সা.) বলেন, আমি ইচ্ছা করেই (উম্মতের সুবিধার জন্য) এটা করলাম। (তিরমিজি, হাদিস : ৬১)

news24bd.tv/আমিরুল

এই রকম আরও টপিক