বাইনোকুলারে মদ লুকিয়ে এনেও নিরাপত্তারক্ষীর হাতে ধরা খেলেন এক মেক্সিকান ভক্ত
বাইনোকুলারে মদ লুকিয়ে এনেও নিরাপত্তারক্ষীর হাতে ধরা খেলেন এক মেক্সিকান ভক্ত

বাইনোকুলারে মদ লুকিয়ে এনেও নিরাপত্তারক্ষীর হাতে ধরা খেলেন এক মেক্সিকান ভক্ত

অনলাইন ডেস্ক

কাতারে মদ্যপান পুরোপুরি নিষিদ্ধ। প্রকাশ্যে এই কাজ করলে তো জেল-জরিমানা হয়। তবে বিশ্বকাপের শুরুতে মদ্যপানের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মনীতি শিথিল করে আয়োজকরা। স্টেডিয়ামের ভেতর নির্দিষ্ট কিছু স্থানে মদ্যপানের অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে টুর্নামেন্ট শুরুর দুইদিন আগে ইউটার্ন নেয় আয়োজকরা। বাধ্য হয়ে ফিফা, স্টেডিয়ামে সম্পূর্ণভাবে মদ্যপান করে নিষিদ্ধ। আইন না মানলে ঘোষণা দেওয়া হয় শাস্তির।

ফিফা ও আয়োজকদের এই কড়াকড়িকে বুড়ো আঙুল দেখাতে গিয়ে এবার ধরা খেলেন এক মেক্সিকান সমর্থক।

মঙ্গলবার রাতে পোল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল মেক্সিকো। সেই ম্যাচে গ্যালারিতে বসে মদ্যপান করতে চুপিচুপি বাইনোকুলারে একটি ছোট শিশিতে করে বিয়ার লুকিয়ে এনেছিলেন দলটির এক সমর্থক। প্রথমে তা নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে গেলেও পরে গ্যালারিতে গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ে যায় ওই সমর্থকের কাণ্ড-কারখানা।

মদ্যপানের ক্ষেত্রে কাতারের কড়াকড়ি অনেকে মানতে পারবে না বলেই আয়োজকরা এবার আটটি ভেন্যুতে ২০ হাজারের বেশি সিকিউরিটি ক্যামেরা বসিয়েছে। সেখানেই মেক্সিকান সমর্থক ধরা পড়ে যান। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, এক নিরাপত্তারক্ষী ওই সমর্থকের বাইনোকুলারে চোখ রাখতেই ভেতরে লুকিয়ে রাখা মদের সন্ধান পান। পরে ওই সমর্থককে কী করা হয়েছে, তা জানা যায়নি।

কাতারে এমনিতে প্রকাশ্যে মদ্যপান জেল-জরিমানা যোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তবে কাতারের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আগে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, টুর্নামেন্ট চলাকালীন এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে। তবে যদি কেউ মদ্যপ অবস্থায় হাঙ্গামা করে সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে। কাতারে মদ্যপান করার নূন্যতম বয়সসীমা ২১ বছর। পানীয় বিক্রি করার আগে রীতিমত ফটো আইডি দিয়ে বয়স প্রমাণ করতে হয় বিক্রেতার কাছে।

news24bd.tv/সাব্বির