অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক ‘সংশপ্তক’
অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক ‘সংশপ্তক’

সংগৃহীত ছবি

অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক ‘সংশপ্তক’

নাজমুল হুদা

মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিষয় করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত হয়েছে ভাস্কর্য। ভাস্কর্যগুলো নির্মাণের পেছনে রয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের একেকটি প্রেক্ষাপট। এমনই একটি ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।

অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য; যা নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করছে।  

দৃঢ় মনোবল নিয়ে যুদ্ধে নেমেছেন অকুতোভয় বীর। শত্রুর আঘাতে হারিয়েছেন এক হাত ও এক পা। কিন্তু তাতে দমে না গিয়ে অন্য পায়ে ভর করেই এগিয়ে যান শত্রুর দিকে।

দৃঢ় মনোবলে রাইফেল উঁচিয়ে লড়ে যান মাতৃভূমির শত্রুর বিপক্ষে। মৃত্যু কিংবা পরাজয়; কোনো কিছুতেই দমে না গিয়ে লড়ে যান যে অকুতোভয় বীর, তিনিই তো ‘সংশপ্তক’।  

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক পায়ের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা এই ভাস্কর্যটির শিল্পী হামিদুজ্জামান খান। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনা এতে দৃশ্যমান। মূল ভাস্কর্যটি ব্রোঞ্জ ধাতুতে তৈরি। এ ছাড়া এটি নির্মাণে লাল সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাংলার আপামর জনতার স্বাধীনচেতা, অকুতোভয় মানসিকতার সাহসী প্রতিবিম্ব এ ভাস্কর্য।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ নুরুল আলম জানান, ‘ভাস্কর্য শুধু ইতিহাসের কথাই বলে না, আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।  

১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। এর উদ্বোধন করেন জাবির তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক কাজী সালেহ আহম্মেদ।  

news24bd.tv/আজিজ