মিছিল-স্লোগানে উৎসবের নগরী কক্সবাজার
মিছিল-স্লোগানে উৎসবের নগরী কক্সবাজার

সংগৃহীত ছবি

মিছিল-স্লোগানে উৎসবের নগরী কক্সবাজার

অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজার সৈকতের লাবনী পয়েন্টের কাছে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দুপুরে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ইনানী-পাটোয়ারটেক সৈকতে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নৌশক্তি প্রদর্শন মহড়ার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।  

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর কক্সবাজার আসছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কক্সবাজার সেজেছে ভিন্ন রূপে।

সড়ক মেরামত থেকে শুরু করে সৌন্দর্য্য বর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়েছে শহরজুড়ে। রাঙিয়ে তোলা হয়েছে সড়ক বিভাজক ও আশেপাশের এলাকা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে টাঙানো ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ড-পোস্টারে ছেয়ে গেছে বিভিন্ন সড়ক-উপসড়ক। ভাঙাচোরা সড়কের সংস্কার এবং সড়কে লাইটিং করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মিছিল-স্লোগানে সামাবেশস্থালে আসতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। জনসভা দুপুরে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি উপজেলা থেকেও মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা। তাদের স্লোগানে-স্লোগানে মুখর রাজপথ।
সর্বসাধারণের জন্য জনসভাস্থল সকাল ৮টার পর খুলে দেওয়া হয়। তবে সকাল থেকেই  লাবণী পয়েন্ট শেখ কামাল স্টেডিয়ামের মাঠে প্রবেশের মূল গেটে হাজার হাজার নেতাকর্মীর জটলা দেখা গেছে। একেক নেতার অনুসারীরা নিজেদের পরিচয় জানান দিতে পরিধান করেছেন নানা রঙের টি-শার্ট, গেঞ্জি, টুপি। স্লোগান, বাদ্যযন্ত্রে জনসভাস্থলে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও ৩ নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি আজিজুর রহমান বলেন, আজ কক্সবাজার সুইজারল্যান্ডে পরিণত হয়েছে। উন্নয়নের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোর থেকেই কর্মী নিয়ে জনসভায় এসেছি।  

চকরিয়া উপজেলা থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুর বলেন, অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সরাসরি দেখবো। যেদিন থেকে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার আসবে শুনেছি সেদিন থেকে আজকের দিনের জন্য অপেক্ষা করছি।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাদ্দাম হোসাইন বলেন, ভোর ৫টা থেকে দূরের উপজেলার কর্মীরা কক্সবাজারের জনসভার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আমরা ৫০ হাজারের অধিক কর্মী নিয়ে জনসভায় যোগ দেবো।  
 
সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজারকেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/ইস্রাফিল