ভরাটে শ্যামাসুন্দরী ও কেডি খাল হয়েছে জঙ্গল, জন্ম নিচ্ছে মশা
ভরাটে শ্যামাসুন্দরী ও কেডি খাল হয়েছে জঙ্গল, জন্ম নিচ্ছে মশা

ভরাটে শ্যামাসুন্দরী ও কেডি খাল হয়েছে জঙ্গল, জন্ম নিচ্ছে মশা

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

রংপুর নগরীর ভেতর দিয়ে বয়ে চলা শ্যামাসুন্দরী ও কেডি খাল ভরাট হয়ে ময়লা-আবর্জনা আর ঝোপ-জঙ্গলে ভরে উঠেছে। যেখানে জন্ম নিচ্ছে মশা, ছড়াচ্ছে নগরজুড়ে। খাল দুটি সংস্কারে কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও লাভ হয়নি কিছুই। সচেতন মহল বলছে, শিগগিরই খাল সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে কেডি খাল ও শ্যামাসুন্দরী রংপুরবাসীর দুর্ভোগের কারণ হবে।

 

২৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের শ্যামাসুন্দরী খালটি ভরাট হয়ে একেবারে সরু হয়ে গেছে। পানির পরিবর্তে জায়গা হয়েছে ময়লা-আবর্জনা, ঝোপ জঙ্গলের। বর্জ্য আর ঝোপ জঙ্গল হয়ে উঠেছে মশা মাছির প্রজননস্থল। দুর্গন্ধে আশপাশে বাস করাই দায় হয়ে পড়েছে।

শুধু তাই নয়, সামান্য বৃষ্টিতেই খাল দুটি উপচে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার।

রংপুর নগরীর বাসিন্দাদের এখন দুঃখের অপর নাম শ্যামাসুন্দরী ও কেডি খাল। খনন, সংস্কার, পাড় ও সেতু নির্মাণে কয়েকবার কোটি কোটি টাকা খরচ করছে সরকার। কিন্তু পানি প্রবাহ বাড়েনি।

কেডি খাল ও শ্যামাসুন্দরী খাল পুনরুদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রংপুর মহানগর সুজনের সভাপতি অধ্যক্ষ ফখরুল আনাম বেঞ্জু।  

কেডি খাল সামান্য খনন করা হয়েছে আর শ্যামাসুন্দরী শিগগিরই খননের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী রুহুল আমিন মিঞা।  

জলাবদ্ধতা আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে রংপুরবাসীকে রক্ষায় খাল দুটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

news24bd.tv/ইস্রাফিল