শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জ ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়: সায়মা ওয়াজেদ
শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জ ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়: সায়মা ওয়াজেদ

শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জ ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়: সায়মা ওয়াজেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সূচনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন বলেছেন, শারীরিক স্বাস্থ্য যতটা গুরুত্ব পায়, মানসিক স্বাস্থ্যর বিষয়টা এখনো ততটা গুরুত্ব পায় না। আমরা এটাতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জ ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়, তাদের প্রতি আমাদের মানসিকতার বদল ঘটাতে হবে। আর তা করতে হবে পরিবার থেকেই।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কর্মকৌশল পরিকল্পনা ২০২০-৩০ এর অবহিতকরণ অনুষ্ঠানে এসব বলেন সায়মা ওয়াজেদ। এসময় প্রধানমন্ত্রী কন্যা আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান নয়, পারিবারিকভাবে ও সামাজিকভাবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বদল ঘটাতে হবে। তাদের প্রতি অবহেলা না করে ভালবাসা চিকিৎসা দিয়ে সমাজের উন্নতিতে অবদান রাখার সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে।

তিনি বলেন, কাউকে অবহেলা করে সমাজ এগোতে পারে না। আমাদের দেশের খনিজ সম্পদ নয় বরং মানুষই আমাদের সম্পদ। সেই সম্পদের ওপর ভর করে আমাদের দেশের উন্নতি হয়েছে। সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, অটিজমের বিষয়টি দেশে গুরুত্ব পেত না। সায়মা ওয়াজেদের হাত ধরে এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। আইন হয়েছে, মানসিকতা বদলে কাজ হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা বাড়ানো হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য খাত ভাল না থাকলে দেশ ভালভাবে চলতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশের ১৮ ভাগ বা তিন কোটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ কোন না কোন মানসিক রোগে আক্রান্ত। মানসিক স্বাস্থ্য সেবার আওতা ও ব্যাপ্তি বাড়ানো হয়েছে। ৮০ থেকে ৯০ ভাগ মানসিক রোগী নানা কারণে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত।

news24bd.tv/FA