বিশ্ব রাজনীতির অবস্থা কেমন ছিলো?
বিশ্ব রাজনীতির অবস্থা কেমন ছিলো?

সংগৃহীত ছবি

সালতামামি : ২০২২

বিশ্ব রাজনীতির অবস্থা কেমন ছিলো?

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বরাজনীতিতে ২০২২ সাল পুরোটাই ছিল অস্থিতিশীল। করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতেও নেমেছিল ধস। রেকর্ড পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি দেখেছে ইউরোপ-আমেরিকাসহ পুরো বিশ্ব। সে আগুনে ঘি ঢেলেছে চীন-তাইওয়ান দ্বন্দ্ব।

হিজাববিরোধী আন্দোলনে অস্থির রয়েছে ইরান। ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কা হয়েছে দেউলিয়া। বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতা হারিয়েছেন লঙ্কান প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে। আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে।
একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে বছরব্যাপী আলোচনায় ছিলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ব্রিটেনের রানীর মৃত্যুতে সাত দশক পরে নতুন রাজা পেয়েছে ব্রিটেন। সবচেয়ে কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রীও পেয়েছে দেশটি।

এমনই নানা ঘটনায় ঘটনাবহুল ছিল ২০২২ সাল। দেখে নেয়া যাক ২০২২ সালের আলোচিত সব ঘটনা।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ

২০২২ সালে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী ঘটনা হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আক্রমণ করে বসে রাশিয়া। প্রথম পর্যায়ে ২ লাখ সেনা পাঠায় মস্কো। রাশিয়ার ভাষ্যমতে, কিয়েভকে নাৎসি মুক্ত এবং নিরস্ত্র করতে তাদের এই সামরিক অভিযান।  তবে পরাশক্তি রাশিয়ার জন্য এ কাজটি মোটেই সহজ হয়নি। পশ্চিমা মিত্রদের সহায়তায় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে কিয়েভ।  ইউক্রেনে হামলার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে  যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব। ইউক্রেনকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা করছে তারা।

মার্চের দিকে খেরসন দখল করে নেয় মস্কো। পরে একের পর এক শহর দখলে চলে আসে মস্কোর। দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়াও দখল করে মস্কো। পরে অঞ্চল চারটিতে গণভোটের আয়োজন করে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় রাশিয়া। আগস্টের শেষের দিকে পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা দেয় কিয়েভ। রাশিয়ার দখল থেকে বেশ কিছু অঞ্চল মুক্ত করতে সক্ষম হয় দেশটি।  

ইউক্রেনে হামলার পরপর পশ্চিমা বিশ্ব একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাশিয়ার ওপর। যার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় বিশ্বে। স্মরণকালের সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় যুক্তরাজ্য, জার্মানির মত বড় অর্থনীতির দেশগুলোতে। কৃষ্ণ সাগর দিয়ে খাদ্য শস্য রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট তৈরি হয়।

তাইওয়ান-চীন দ্বন্দ্ব

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ান নিয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থানে বেইজিং। এমন পরিস্থিতিতে ২ আগস্ট হঠাৎ তাইওয়ান সফরে আসেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। তার সফরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বিশ্বরাজনীতিতে। পেলোসির সফরকালেই তাইওয়ান প্রণালীতে নজিরবিহীন সামরিক মহড়া চালায় চীন। যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেখানে।  

বছরব্যাপী আলোচনায় কিম জং উন

বরাবরের মতো ২০২২ সালেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বিশ্বকে নিজেদের অবস্থানের কথা জানান দেয় উত্তর কোরিয়া। এই বছরে বারবার আলোচনায় এসেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা মধ্যে বারবার ফিল্মি স্টাইলে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। এ বছর রেকর্ড সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে পিয়ংইয়ং। বছরের শেষ দিনেও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় দেশটি। এ নিয়ে ৮টি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রসহ মোট ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো পিয়ংইয়ং। এর মধ্য একটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম।

ব্রিটেনের জন্য স্মরণীয় এক বছর

২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ৯৬ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তার প্রয়াণে দীর্ঘ সাত দশক পর নতুন রাজা পায় ব্রিটেন। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন তৃতীয় চার্লস।  ব্রিটেনের রাজনীতিতেও অস্থিতিশীলতা বিরাজ করেছে বছরজুড়ে। নানা কেলেঙ্কারির বোঝা মাথায় নিয়ে জুলাইয়ের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন বরিস জনসন। তার জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন লিজ ট্রাস। টালমাটাল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিতর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকেও ক্ষমতা ছাড়তে হয়। মাত্র ৪৪ দিন ক্ষমতায় থেকে তিনিই হন ব্রিটেনের সবচেয়ে কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী। এরপর আরেক ইতিহাসের সাক্ষী হয় ব্রিটেন। দেশটির ইতিহাসে একমাত্র অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হন ঋষি সুনাক।

হিজাববিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ইরান

২০২২ সালে নজিরবিহীন বিক্ষোভে দেখেছে ইরানে। চার দশকের মধ্যে ইরানে হওয়া সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী বিক্ষোভ এখনও চলমান দেশটিতে। সেপ্টেম্বরে হিজাব আইন লঙ্ঘনের জন্য নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনি। পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনায় হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ইরান। বিক্ষোভ রূপ নেয় সংঘর্ষে। প্রথমে নৈতিকতা পুলিশ ও হিজাব বিরোধী বিক্ষোভ রূপ নেয় সরকার বিরোধী আন্দোলনে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, রক্তক্ষয়ী এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত শিশুসহ নিহত হয়েছে ৫০০ বিক্ষোভকারী। তাদের সমর্থনে ইউরোপজুড়ে ছোটখাটো বিক্ষোভ হয়েছে।  

রক্তক্ষয়ী আরও এক বছর ফিলিস্তিনিদের

দশকের পর দশক ধরে ইসরায়েলি দখলদারদের শিকার হচ্ছেন ফিলিস্তিনি নারী–পুরুষ। মাস ফুরায়, বছর গড়ায়, তবু বদল আসে না তাদের জীবনে। ২০২২ সালটাও ফিলিস্তিনিদের জন্য আলাদা ছিল না। ইসরায়েলের দখলদারি, অভিযান আর নৃশংসতায় এ বছরটিও ছিল তাদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো।

চলতি বছরে ইসরায়েলিদের হামলায় ২০০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ জনই ছিল শিশু। মৃত্যুর দিক থেকে ২০০৬ সালের পর ২০২২ সালই ছিল সর্বোচ্চ। অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের হামলায় নিহত হয়েছেন ইসরায়েলের ২৫ জন। ২০০৬ সালের পর বিদায় নিতে যাওয়া বছরটিই পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ ও দুঃস্বপ্নের ছিল বলে উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ।

কেমন ছিল তালেবান শাসনের এক বছর

আফগানিস্তান ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটের সদস্যরা। এরই মধ্যে ২০২২ সালে তালেবান শাসনের এক বছর শেষ হয়। এ বছরে তেমন ভালো নেই আফগান নারীরা। তাদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে তালেবান সরকার। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের সহায়তা করাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তালেবান সরকার কাবুলের পার্কে ও জিমে নারীদের নিষিদ্ধ করেছে। তাদের উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থাকেও রোধ করে দিয়েছে। নারীদের কাজ করার পথও তারা বন্ধ করে দিয়েছে। পোশাক বিধি না নিয়েও তারা ব্যাপক আকারে কঠোরতা দেখাচ্ছে। দোররা মারার মতো শাস্তি দেওয়া শুরু করেছে তালেবান।

ক্ষমতায় এসেই তালেবান বিদ্যমান বিচারব্যবস্থা ভেঙে দেয়। তাদের নিজস্ব বিচারক নিয়োগ করে এবং ইসলামি আইনের নিজস্ব ধরন প্রয়োগ করে। যেখানে দেশটিতে ৩০০ জনের বেশি নারী বিচারক ছিলেন, এখন সেখানে কেউ নেই। কয়েক শ বিচারক অন্য দেশে পালিয়ে গেছেন এবং প্রায় ৭০ জন নারী বিচারক আত্মগোপনে রয়েছেন।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পরই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে জমা থাকা আফগানিস্তানের জাতীয় রিজার্ভের ৯১০ কোটি ডলার জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। আফগান জনগণ ক্রমে নিত্যপণ্য কেনার সামর্থ্য হারাচ্ছে। খাদ্য দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠছে এবং মুদিদোকানগুলো তাদের গুদামে আগের মতো মাল তুলতে পারছে না। এর মধ্যে মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে খরা। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ঠিকমতো ফসল উৎপাদন করতে পারেনি দেশটির কৃষকেরা।

অস্থিতিশীল রাজনীতি ও নজিরবিহীন বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান

২০২২ সালে এক পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। আস্থা ভোটে হেরে ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে ইমরান খানকে। আততায়ীর হাতে গুলিও খেয়েছেন তিনি। বছরের শেষ সপ্তাহটি সহিংসতাপূর্ণ ছিল দেশটিতে। এ বেড়াজাল থেকে দেশটি কোনক্রমেই বের হতে পারছে না। রাজনীতির পাশাপাশি, পাকিস্তানকে এখন মারাত্মক এক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে হচ্ছে। রপ্তানি ক্রমাগত কমছে এবং সেইসাথে দফায় দফায় বাড়ছে খাদ্যের দাম। কয়েকমাস আগে নজিরবিহীন এক বন্যা ছিল মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।

দেশটির অর্থনীতিও ধুঁকছে। এ অঞ্চলের দেশ শ্রীলঙ্কার মতো পাকিস্তানের অর্থনীতিও ধসে পড়তে পারে বলে শঙ্কা করছেন অনেকেই। এসবের মধ্যেই দেশটিতে ভয়াবহ বন্যা শুরু হয়। প্লাবিত হয় অর্ধেক উর্বর ভূমি। পাক ইতিহাসের সর্বকালের বন্যায় মারা গেছে ১ হাজার ৭৩৯ জন। ক্ষতি হয়েছে ৩ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের। তবে সব ছাপিয়ে বছরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইমরান খানকে উৎখাত এবং সেনাবাহিনীর রাজনীতিতে আধিপত্যের বিষয়টি।

১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের ৭৫ বছরের ইতিহাসে তিন দশকের বেশি সময় সরাসরি ক্ষমতায় ছিল সেনাবাহিনী। আর বাকি সময়টা বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সেনাবাহিনীর আধিপত্য ছিল। সেনাবাহিনীর সমর্থন ছাড়া কেউই টিকে থাকতে পারেনি। স্বাধীনতার পর পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ৩০ জন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে। কোনো প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ অর্থাৎ, পাঁচ বছর মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন না। ইমরানের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি।

শ্রীলঙ্কার দেউলিয়া

নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয় দেখেছে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায়। অর্থনীতিতে ধস আর চরম জ্বালানি সংকট সামাল দিতে না পেরে গণঅভ্যুত্থানে দেশটিতে রাজাপাকসে যুগের সমাপ্তি ঘটে। দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন রাজাপাকসে।  

সরকারের নানান অপরিণামদর্শী নীতির কারণেই শ্রীলঙ্কায় চরম অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়। তার জেরে শুরু হয় দেশব্যাপী বিক্ষোভ। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী মাহেন্দ্র রাজাপাকসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। বেশ কয়েক মাস ধরে চলা সরকারবিরোধী ওই বিক্ষোভ ৯ জুলাই এক নাটকীয় মোড় নেয়, যখন শত শত বিক্ষোভকারী পুলিশের বাধা ভেঙে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখল করে নেয়। গত ১৫ বছরে শ্রীলঙ্কা বেশ কিছু মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, রাস্তা এবং আরও নানা ধরনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পই শ্রীলঙ্কার দেউলিয়া হওয়ার মূল কারণ।

চলতি বছরের অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার মূল্যস্ফীতি বার্ষিকভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭০ দশমিক ৬ শতাংশে। নভেম্বরে তা কমে ৬৫ শতাংশে দাঁড়ায়। সম্প্রতি দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, নভেম্বরে খাদ্যের মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ৬৯ দশমিক ৮ শতাংশে। তখন অন্যান্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি দেখা যায় ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ।

news24bd.tv/আজিজ