গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, এরপর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, এরপর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রতীকী ছবি

গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, এরপর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

বগুড়ার শেরপুরে এক গৃহবধূকে (২২) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের একটি গ্রামের ফাঁকা মাঠ থেকে ওই গৃহবধূকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন তাঁর পরিবারের লোকজন।  গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর দুর্বৃত্তরা ওই গৃহবধূর মাথা ফাটিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

উদ্ধারের পর ওই নারীকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

সেখানে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারী বলেন, গতকাল দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি শৌচাগারে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হন। এ সময় একই গ্রামের আবদুল মান্নান (৪২) নামের এক ব্যক্তি তাঁর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সেখান তুলে গ্রামের একটি ফাঁকা জমিতে নিয়ে যান। ওই মাঠে আগে থেকেই আরও চার ব্যক্তি অবস্থান করছিলেন।

সেখানে যাওয়ার পর ভয়ভীতি দেখিয়ে মান্নানসহ পাঁচজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর মান্নান ও তাঁর সহযোগিরা তাঁকে মারধর করে ওই জমিতে ফেলে রেখে যান।

ওই গৃহবধূর বাবা বলেন, রাতে তাঁর মেয়ের জামাতা ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরবেলা তিনি (জামাতা) খেয়াল করেন, তাঁর স্ত্রী ঘরে নেই। পরে ঘর থেকে বের হয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর ওই জমি থেকে তাঁর স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় খুঁজে পান। এ ঘটনায় তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে ওই তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ওই নারী অভিযোগ করেছেন, তাঁকে ধর্ষণের পর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নারীর মাথায় একাধিক আঘাতের কারণে গুরুতর জখম হয়েছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত আবদুল মান্নান ভ্যানচালক। তিনি এ ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাই এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেরপুর টাউন পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সাম্মাক হোসেন বলেন, ওই গৃহবধূ ধর্ষণের বিষয়ে মৌখিকভাবে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।