সৌম্যর ব্যাটে রান, তবুও ১০৮ রানে থামলো ঢাকা
সৌম্যর ব্যাটে রান, তবুও ১০৮ রানে থামলো ঢাকা

সংগৃহীত ছবি

সৌম্যর ব্যাটে রান, তবুও ১০৮ রানে থামলো ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলের অষ্টম ম্যাচে এসে অবশেষে নিজেকে খুঁজে পেলেন সৌম্য সরকার। তবে সৌম্যর রানে ফেরার ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ঢাকা ডমিনেটরস অলআউট মাত্র ১০৮ রানেই।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকাকে এতো অল্প রানে বেঁধে দেওয়ার মূল কারিগর খুলনা টাইগার্স স্পিনার নাহিদুল ইসলাম এবং নাসুম আহমেদ। এ দুই স্পিনারের বিষে নীল হয়েই ভেঙে পড়ে ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপ।

মাঝে সৌম্য সরকার ইনফর্ম নাসির হোসেনকে নিয়ে একটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন বটে। তবে আসরের প্রথম ফিফটি হাঁকিয়ে সৌম্য বিদায় নিতেই ঢাকার চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ার স্বপ্ন শেষ হয়। নির্ধারিত ওভারের ২ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় ঢাকা।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ঢাকা চার ওভারের মধ্যেই হারায় টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে।

তিন ব্যাটারকেই ফেরান নাহিদুল। মিজানুর রহমানকে (১) দিয়ে শুরু নাহিদুলের, এরপর উসমান গনি এবং মোহাম্মদ মিঠুনকে শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরান তিনি। পাওয়ারপ্লে শেষে আলেক্স ব্লেকের উইকেটও তুলে নেন এই স্পিনার।

মাত্র ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারানো ঢাকার হয়ে এরপর হাল ধরেন সৌম্য। শুরুতে খোলসবন্দী হয়ে থাকলেও নাসির হোসেনকে উইকেটে পেয়ে আগ্রাসী হন তিনি। আমাদ বাটের এক ওভারে ১৯ রান পর্যন্ত তোলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তবে আসরের প্রথম ফিফটি তুলে নেওয়ার পরেই থামেন সৌম্য। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান। সৌম্যর আগে ৫ রান করে বিদায় নেন নাসিরও।

ওয়াহাব রিয়াজকে শট খেলতে গিয়ে নাসির সাজঘরে ফেরেন। কিছুক্ষণ পরেই নাসুম আহমেদ বোল্ড করেন সৌম্যকে। এরপর আরিফুল ইসলামের ৩, তাসকিন আহমেদের ১২, আমির হামজার ১ এবং আল আমিনের ১০ রানে শতরানের ঘর পেরোয় ঢাকা। নাহিদুল ৬ রানে নেন ৪ উইকেট। নাসুম ৩ উইকেট শিকার করেন ১১ রান খরচায়। একটি করে উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাহিদ রানা এবং ওয়াহাব রিয়াজ।

news24bd.tv/সাব্বির