৮৪ রানেই থামলো খুলনা, ঢাকার অবিশ্বাস্য জয়ের নায়ক তাসকিন
৮৪ রানেই থামলো খুলনা, ঢাকার অবিশ্বাস্য জয়ের নায়ক তাসকিন

সংগৃহীত ছবি

৮৪ রানেই থামলো খুলনা, ঢাকার অবিশ্বাস্য জয়ের নায়ক তাসকিন

অনলাইন ডেস্ক

টানা সপ্তম হারের মুখেই ছিল ঢাকা ডমিনেটরস। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ঢাকা স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারে মোটে ১০৮ রান। তবে কে জানত সেই রানই পাহাড়সহ হয়ে দাঁড়াবে খুলনার সামনে। মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খুলনার ইনিংস থামে ১৫.৩ ওভারে ৮৪ রান তুলতেই।

ফলে ২৪ রানের অবিশ্বাস্য এক জয় তুলে নেয় ঢাকা।

হারের বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা ঢাকাকে অবিশ্বাস্য এই জয় এনে দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। মাত্র ৯ রানে খুলনার ৪ ব্যাটারকে ফিরিয়ে ঢাকার দ্বিতীয় জয়ের নায়ক বনে গেছেন এই তারকা পেসার।

লক্ষ্যটা ছোট ছিল বলেই খুলনার শুরুটা ছিল সাবধানী।

তবে তাসকিনের আগ্রাসনের সামনে হার মানেন শাই হোপ। ৫ রান করে তাসকিনের বলে বোল্ড হন তিনি। ১৫ বলে পর মাহমুদুল হাসান জয়ের উইকেটও হারায় খুলনা। এবার শিকারি নাসির হোসেন। জয় ফেরেন ৪ রান করে। দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা তামিম ইকবালও ফেরেন কিছুক্ষণ পর। সেই নাসিরকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৩০ রানে সাজঘরের পথ ধরেন দেশসেরা ওপেনার।

তামিম ফেরার পর ইয়াসির আলী রাব্বি ছাড়া খুলনার কোনো ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। আজম খান ৪, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২, আমাদ বাট ৭, নাহিদুল ইসলাম ৫ এবং নাসুম আহমেদ করেন ৪ রান। রাব্বির ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। ১৬তম ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে সাইফউদ্দিন এবং নাহিদ রানাকে (০) ফিরিয়ে ঢাকাকে জয় এনে দেন তাসকিন।

তাসকিন ছাড়াও ঢাকার হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন আমির হামজা। ৩ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ১ উইকেট তুলে নেন তিনি। একটি উইকেট পেয়েছেন সালমান ইরশাদও। এছাড়া দুটি করে উইকেট নিয়েছেন নাসির হোসেন এবং আল আমিন হোসেন।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ঢাকা চার ওভারের মধ্যেই হারায় টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে। তিন ব্যাটারকেই ফেরান নাহিদুল। মিজানুর রহমানকে (১) দিয়ে শুরু নাহিদুলের, এরপর উসমান গনি এবং মোহাম্মদ মিঠুনকে শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরান তিনি। পাওয়ারপ্লে শেষে আলেক্স ব্লেকের উইকেটও তুলে নেন এই স্পিনার।

মাত্র ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারানো ঢাকার হয়ে এরপর হাল ধরেন সৌম্য। শুরুতে খোলসবন্দী হয়ে থাকলেও নাসির হোসেনকে উইকেটে পেয়ে আগ্রাসী হন তিনি। আমাদ বাটের এক ওভারে ১৯ রান পর্যন্ত তোলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তবে আসরের প্রথম ফিফটি তুলে নেওয়ার পরেই থামেন সৌম্য। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান। সৌম্যর আগে ৫ রান করে বিদায় নেন নাসিরও।

ওয়াহাব রিয়াজকে শট খেলতে গিয়ে নাসির সাজঘরে ফেরেন। কিছুক্ষণ পরেই নাসুম আহমেদ বোল্ড করেন সৌম্যকে। এরপর আরিফুল ইসলামের ৩, তাসকিন আহমেদের ১২, আমির হামজার ১ এবং আল আমিনের ১০ রানে শতরানের ঘর পেরোয় ঢাকা। নাহিদুল ৬ রানে নেন ৪ উইকেট। নাসুম ৩ উইকেট শিকার করেন ১১ রান খরচায়। একটি করে উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাহিদ রানা এবং ওয়াহাব রিয়াজ।

news24bd.tv/সাব্বির