শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ১০ ঘন্টা ০২ মিনিট আগে

ঘুরে আসুন রঙিন চিনা মাটির পাহাড়

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

ঘুরে আসুন রঙিন চিনা মাটির পাহাড়

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড়ের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কংস নদ আর সোমেশ্বরী নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা অপরূপ সুন্দর ও শান্ত জনপদ দুর্গাপুর। 

নেত্রকোনার এই উপজেলার নান্দনিক পর্যটন স্পট বিজয়পুর এবং বিরিশিরিতে রয়েছে সবুজে ঘেরা গারো পাহাড় এবং লাল-বেগুনি রঙের চিনা মাটির পাহাড়।

এছাড়া বিরিশিরির কাছ দিয়েই বয়ে চলেছে স্বচ্ছ পানির সোমেশ্বরী নদী। তবে বিরিশিরির মূল আকর্ষণ চিনা মাটির পাহাড়। সবুজে ঘেরা পরিবেশের সাথে পাথরের মতো শক্ত চিনা মাটি এই এলাকাটিকে একটি স্বকীয় সৌন্দর্য দান করেছে। চিনা মাটির পাহাড়ের বুক চিড়ে চলে গেছে অবাক সুন্দর নীলচে-সবুজ পানির হ্রদ। এখানে আরও রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের কালচারাল একাডেমি।

শুধু বিরিশিরিতে নয়, বিজয়পুরেও রয়েছে আরও কিছু দর্শনীয় স্থান। কয়েক কিলোমিটার দূরে ভারত সীমান্তে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, সুসং রাজার ঐতিহাসিক বাড়ি, , রানীখং গীর্জা, ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক গির্জা। পাহাড়ের ওপর এই গির্জাগুলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

ভ্রমণকাল: বিরিশিরিতে ভ্রমণের সবচেয়ে সেরা সময় হচ্ছে শরৎকাল। তবে এখানে যাওয়ার সময় সাথে পর্যাপ্ত পানি, স্যালাইন, আরামদাময়ক জুতা, পোশাক, ছাতা ইত্যাদি রাখা ভালো। গোসল করার সময় সাবধান থাকুন। কারণ হঠাৎ পানির গভীরতা বাড়তে পারে।

থাকা-খাওয়া: সোমেশ্বরীর এপারে উকিলপাড়া ও দুর্গাপুর বাজার এবং শিবগঞ্জ বাজারে ভারি খাবার খেতে পারবেন। আর রাতে থাকার জন্য দুর্গাপুর বাজার এলাকায় বেসরকারি কিছু হোটেল রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে উপজেলা ডাক বাংলো এবং কালচারাল একাডেমির রেস্ট হাউস।

যাতায়াত ও ভ্রমণ খরচ: রাজধানী ঢাকা থেকে কম খরচে যদি বিরিশিরি ও বিজয়পুর ভ্রমণ করতে চান তাহলে ট্রেনে যেতে হবে। কারণ বাসে যেতে জন প্রতি ন্যূনতম ৩০০ টাকা লাগবে। তবে ট্রেনে মাত্র ৮০ টাকাতেই যাওয়া যাবে।

ঢাকা থেকে দিনে একটিমাত্র ট্রেন যায়, যেটা বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় ভোর সাড়ে ৪টায়।দুর্গাপুর উপজেলায় পৌঁছার পর বিরিশিরি ও বিজয়পুর যেতে ট্রলার বা মোটর সাইকেল আছে। ট্রলারে খরচ পড়বে ৫০ টাকা, বাইকে গুণতে হবে ১০০ থেকে ১২০টাকা।



অরিন▐ NEWS24

মন্তব্য