‘গণতন্ত্রের জন্য সম্প্রতি আমাদের ১৭ নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন’

‘গণতন্ত্রের জন্য সম্প্রতি আমাদের ১৭ নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন’

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করেছে বিএনপি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র রমজানে রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এ আয়োজন করা হয়। ইফতার অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, ব্রিটিস হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি. মান্টিটাস্কি ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী, ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভুশি, ভারতের উপ হাইকমিশার বিনয় জর্জ উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ছাড়াও ইফতারে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকরাও বিএনপির এই ইফতার পার্টিতে শরিক হন।

 

বৃহস্পতিবার ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কূটনীতিকদের শুভেচ্ছা জানান। ইফতারের আগে তিনি অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের সঙ্গে কূশল বিনিময় করেন।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করছে বিএনপি। এই আন্দোলন করতে গিয়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন, গুম হয়েছেন।

এছাড়া সাম্প্রতিক চলমান আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকারের দমন পীড়নে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী মারা গেছেন।  

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য দেশের মানুষ লড়াই করছে। অতি সম্প্রতি ১৭ জন নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আমাদের দলের চেয়ারপারসনকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বন্দী করে রাখা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে। আমাদের ৩৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের এই আন্দোলন।

এছাড়াও অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারাও ইফতারে অংশ নেন। ইফতার ও মাগরিবের নামাজ শেষে কূটনীতিকরা নৈশভোজেও অংশ নেন।  

ইফতারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আমানউল্লাহ আমান, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, গোলাম আকবর খন্দকার, এনামুল হক চৌধুরী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিজন কুমার সরকার, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বিএনপির যুগ্মমহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শ্যামা ওবায়েদ, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই রকম আরও টপিক