‘টাইটেল ৪২’-এর অবসান, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল

‘টাইটেল ৪২’-এর অবসান, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময়ে হওয়া ‘টাইটেল ৪২’ অভিবাসন আইনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর ফলে মার্কিন সীমান্তরক্ষীরা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সীমান্ত থেকেই ফেরত পাঠাতে পারবে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো সীমান্তে বেড়েছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১১ মে) রাতে এ আইনের মেয়াদ শেষ হয়েছে।

করোনাকালীন সময়ে সংক্রমণ রোধে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে জারী হয় ‘টাইটেল ৪২’ আইন। বৃহস্পতিবার এটি শেষ হলে দেশটির দক্ষিণের সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার ভোররাতের মধ্যে কমপক্ষে আট হাজারের অধিক মানুষ সীমান্ত ফাঁড়ি অতিক্রম করে।

টেক্সাসের এলপাসো সীমান্ত ফাঁড়িতে ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের নোটিশ ধরিয়ে দিচ্ছেন পছন্দের সিটিতে পৌঁছার ৬০ দিনের মধ্যে ইমিগ্রেশন কোর্টে হাজিরার জন্য।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো আমেরিকায় উদ্বাস্তু, অভিবাসন সংকটের বিষয়ে আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনই্চসিআর) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) দক্ষিণ মার্কিন সীমান্তে শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

টেক্সাসে নির্মিত সীমান্ত-দেয়ালের মধ্যে দুটি প্রবেশপথ (সীমান্ত ফাঁড়ি) ৪০, ৪২ দিয়ে ঢোকানো হচ্ছে সেন্ট্রাল আমেরিকার দেশগুলো থেকে আসা শরণার্থীদের। ‘টাইটেল ৪২’ বহাল থাকার মধ্যেও গত সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ১০ সহস্রাধিক শরণার্থী/রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীকে সীমান্তরক্ষীরা গ্রেপ্তার করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ডিটেনশন সেন্টারে রেখেছে। সময়ের পরিক্রমায় ডিটেনশন সেন্টারেও এখন আর জায়গা না থাকায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী আলেজান্দ্রো মেয়রকাস সহজ শর্তে সবাইকে পছন্দের সিটিতে (অর্থাৎ যেখানে তাদের পূর্বপরিচিত অথবা আত্মীয়-স্বজন রয়েছে) গমনের সুযোগ দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘টাইটেল ৪২’-এর মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার সময় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী আলেজান্দ্রো মেয়রকাস টুইট ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় যারা সীমান্ত অতিক্রম করবে না, তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি না-ও পেতে পারেন। বেআইনি প্রবেশ রোধে ২৪ হাজার সীমান্ত প্রহরীর সঙ্গে হাজার হাজার ট্রুপস এবং সীমান্তে কর্মরত ঠিকাদার সজাগ রয়েছে। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম। অর্থাৎ সবাইকে অনুধাবন করতে হবে যে সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়নি।

news24bd.tv/FA

পাঠকপ্রিয়