ভোট চোর আর ভোট ডাকাতরাই এখন গণতন্ত্র চায়: প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

ভোট চোর আর ভোট ডাকাতরাই এখন গণতন্ত্র চায়: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভোট চোর আর ভোট ডাকাতরাই এখন গণতন্ত্র চায়, ভোটের অধিকারের কথা বলে। এগুলো মাঠের কথা, মাঠেই থাকবে। আমরা জনতার সঙ্গে থাকব, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করব।

বুধবার (১৭ মে) স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে গণভবনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন। আমরা জনগণের জন্য কাজ করব এটাই আমাদের অঙ্গীকার। বাকি দলগুলো কখনোই জনগণের কল্যাণে কাজ করে না। তাই সন্ত্রাসী, খুনি বা যুদ্ধাপরাধীদের দল যাতে জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

দেশে আওয়ামী লীগই একমাত্র দল যে দলটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রবর্তন ও ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার মাধ্যমে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপির লক্ষ্যে বিএনপি-জামাত জোট দেশে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারসহ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেছিল। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা সব সময়ে তাদের পাশে থাকব। আমরা তাদের জন্য আমাদের কাজ অব্যাহত রাখব। আমরা যেভাবে তাদের আস্থা অর্জন করে ক্ষমতায় এসেছি, ঠিক তেমনি আমরা তাদের জন্য কাজ করব। আওয়ামী লীগ জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও জনপ্রিয়তা সফলভাবে ধরে রেখেছে। ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত এত দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে জনগণের আস্থা ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আমাদের ধরে রাখতে হবে। দেশের মানুষের এই বিশ্বাস ও আস্থাই আমাদের একমাত্র শক্তি। এ ছাড়া আমাদের আর কোনো শক্তি নেই। সবাইকে মাথায় রাখতে হবে যে, আওয়ামী লীগের একমাত্র বন্ধু বাংলাদেশের মানুষ। আমাদের সরকার প্রত্যন্ত গ্রামবাসীদের প্রায় সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে। যে কোনো দুর্যোগে সব সময়ই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এভাবেই দলটি মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছে।

news24bd.tv/কেআই