শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৯ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে

উপকূলীয় জেলাগুলোতে যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা

ইমন চৌধুরী▐ পিরোজপুর প্রতিনিধি

উপকূলীয় জেলাগুলোতে যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা

পিরোজপুরের আটঘর কুরিয়ানায় শুরু হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ নৌকার হাট। জেলার হাজার হাজার মানুষ এখন ব্যস্ত নৌকা তৈরি এবং কেনা-বেচার কাজে। ঐতিহ্যবাহী এ হাটে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ছোট-বড় নৌকা। 

দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাগুলোতে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম নৌ পথ। কম খরচে নৌ পথে পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতের সহজলভ্য বাহন নৌকা। আর তাই নৌকা তৈরি ও কেনা-বেচার কাজে ব্যস্ত জেলার হাজার হাজার মানুষ।

পিরোজপুরে ডাঙ্গায় ও পানি- উভচরেই বসেছে বিশাল নৌকার হাট। তবে নতুন নতুন নৌকা হাটে উঠলেও বদলায় না কারিগরদের ভাগ্য।

নদী-নালা ও খাল-বিল বেষ্টিত জেলা পিরোজপুরে বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া যাতায়াত কল্পনাই করা যায় না। আর তাই জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি), নাজিরপুর ও কাউখালী উপজেলার হাজার হাজার মানুষ বংশ পরম্পরায় পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে নৌকা তৈরির কাজ। কিন্তু ফড়িয়া ও মহাজন চক্রের কারণে ভাগ্যের বদল হয়নি নৌকা তৈরির কারিগরদের। 

নৌকার ক্রেতারা বলেন, ‘আমাদের জেলায় যাতায়েতের প্রধান মাধ্যম হলো নৌ পথ।তাই নৌকা ছাড়া চলাচল অসম্ভব।আর নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মানুষের প্রধান মাধ্যম এটি। এ উপজেলার যেদিকেই তাকাবেন, কেবল খাল-বিল আর থৈ থে পানি। সড়ক পথ একেবারেই কম। তাই আমরা নৌকাতেই যাতায়াত করি।’

নৌকা তৈরির কারিগরদের ভাষ্য, ‘আমাদের তৈরি নৌকা এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাটে ওঠে। বৃহত্তর বরিশালের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা আসেন এ হাটে। সপ্তাহে শুক্র ও সোমবারে এ হাটে লাখ লাখ টাকার নৌকা বেচা-কেনা হয়। এরপরেও আমরা খুব বেশি লাভবান হতে পারছি না। কাঠ ও অন্যান্য সরঞ্জামের দাম বেড়ে যাওয়ায় নৌকা তৈরির খরচও বেড়েছে।আমাদের বিশ্বাস, একটুখানি সরকারি সহায়তা পেলে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।’



ইমন▐ অরিন▐ NEWS24 

মন্তব্য