রাজশাহীজুড়ে বিরাজ করছে বহুরূপী আবহাওয়া

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

রাজশাহীজুড়ে বিরাজ করছে বহুরূপী আবহাওয়া

পদ্মা পাড়ে বাবা ও মেয়ে

কখনও আকাশ কোণে জমাট মেঘ তো কখনও তপ্ত রোদ। মাঝে মধ্যে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি। এই রোদ আর মেঘের খেলার মাঝে জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে ঘাম ঝরানো ভ্যাপসা গরম। 

তবে রাতের আঁধার নেমে আসার সাথে সাথে জোৎস্না আলোর খেলায় মেতে উঠছে হালকা কুয়াশা। ঝরে পড়ছে গাছের লতা-পাতায়। ঘাসকে ভিজিয়ে সৃষ্টি করছে শিশির কণা। শেষ রাতে অনুভূত হয় শরীরে কাঁথা জড়ানোর মতো ঠাণ্ডা।

বর্তমানে এমন বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া বিরাজ করছে রাজশাহী জুড়ে। মূলত আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

তবে আবহাওয়ার এমন আমূল পরিবর্তনে নানা বয়সের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন রোগে। হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে বাড়ছে রোগীদের ভিড়। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন।


তীব্র গরমে পদ্মায় গোসল করতে নামছে দামাল ছেলেরা 

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, রাজশাহীতে এখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার স্কেল খুব কাছাকাছি থাকায় এমন বিরূপ অবস্থা বিরাজ করছে।

বাংলা মাসের হিসেবে এখন শরৎকাল। যাকে বলা হয় শীতের আগমনী বার্তা বাহক। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে এখনও বর্ষাকাল।তাদের ভাষায় আরও কিছুদিন পর শরৎকাল আসবে। 

গ্রামাঞ্চলের প্রচলিত প্রবাদ বাক্য অনুযায়ী এই শরৎকালে ‘আশ্বিনে গা সিঁন সিঁন’। কথাটির মূল অর্থ হলো, আশ্বিনের শুরু থেকে হালকা শীতে প্রাণীকূলে শিহরণ জাগে। কিন্তু ইতোমধ্যে আশ্বিন মাস মাঝমাঝিতে অবস্থান করছে। এরপরেও সিঁন সিঁনের কোনো কিছুই নেই।

মূলত বৈরি আবহাওয়ার কারণে রাজশাহীতে আশ্বিনের মাঝারিভাগেও শীতের কোনো লক্ষণ নেই। এই সময়েও তাপমাত্রা বিরাজ করছে গ্রীষ্মকালের মতো। বৃষ্টিপাতেরও তেমন কোনো দেখা নেই বললেই চলে। যার কারণে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকালজুড়ে বিরাজ করছে চৈত্রের খরতাপ।


রাজশাহীর আকাশে জমাট বেঁধেছে কালো মেঘ

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আশ্বিন মাস চললেও তাপমাত্রা একেবারে অসহনীয় পর্যায় রয়েছে। তাপমাত্রা ঘুরপাক খাচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৭°C এর মধ্যে। গেল ভাদ্র মাসে সামান্য বৃষ্টি হওয়ার কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও আশ্বিনের শুরু থেকেই ফের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, গেল কয়েক বছরের ন্যায় এবারও রাজশাহীতে শীত আসবে দেরিতে। কারণ আশ্বিন মাসে  তাপমাত্রা যতটা নিচে নামার কথা, ততটা নামেনি। তাপমাত্রার এমন ওঠানামা বিরাজমান থাকলে অগ্রহায়ণের শুরুতে রাজশাহীতে শীতের দেখা মিলতে পারে।


অরিন▐ NEWS24 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিরল প্রজাতির সাপ ‘রেড কোরাল’র সন্ধান

অনলাইন ডেস্ক

বিরল প্রজাতির সাপ ‘রেড কোরাল’র সন্ধান

বিরল প্রজাতির সাপ ‘রেড কোরাল’ উদ্ধার হয়েছে দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে। এর নাম রেড কোরাল কুকরি হলেও স্থানীয়ভাবে তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কমলবতি’।

বিরল প্রজাতির এই সাপটি ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে কদাচিৎ দেখা মিললেও দেশে এবারই প্রথম এমন সাপের দেখা পেয়েছেন গবেষকরা।

তারা বলছেন, যেহেতু সাপটি বিরল প্রজাতির তাই এটি নিয়ে গবেষণা খুব একটা বেশি হয়নি। স্বল্প মাত্রার বিষাক্ত বলা হলেও এ নিয়ে বিশদ গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেও জানান বিশেষজ্ঞরা। 

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঝালইশালসিরি ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ বাজারের পাশে গত সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যন্ত্র দিয়ে নির্মাণাধীন একটি বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় নিচ থেকে বেরিয়ে আসে বেশ কয়েকটি সাপ।

তখনও কারও ধারণা ছিল না এখানেই মিলবে সারা বিশ্বের বিরল প্রজাতির গবেষণাময় প্রাণী রেড কোরাল কুকরি সাপ।

মাটির নিচ থেকে উদ্ধারের পর দেখা যায় সাপটি যন্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়েছে। এ অবস্থায় সেটিকে চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য রাজশাহী পাঠানো হয়েছে।

আরও ‍পড়ুন:


কোভিডে টরন্টোয় বন্দুক সন্ত্রাস বেড়েছে, বাংলাদেশিদের সতর্কতার পরামর্শ

ইসলামে নাম ব্যঙ্গ করার পরিণাম কী?

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?

যে কারণে দোয়া কবুল হয় না


সাপটি বর্তমানে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাপ উদ্ধার ও সংরক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানেই রেখে চলছে চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রুষা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেনম রিসার্চ সেন্টারের প্রধান প্রশিক্ষক রাজশাহীর বোরহান বিশ্বাস জানান, এ যাবৎকালে দেশের শুধু পঞ্চগড় জেলাতেই গবেষকরা মাত্র দু’টি এ প্রজাতির সাপের দেখা পেয়েছেন। ফলে সাপের তালিকায় নতুন একটি নাম যুক্ত হবে এতে। গবেষণাতেও আসবে নতুন মোড়। এই সাপটির নাম হচ্ছে রেড কোরাল কুকরি। বাংলায় এর কোনো নাম নেই। 

তবে গবেষক হিসেবে তিনি এর নাম দিয়েছেন ‘কমলাবতি’। স্থানীয়রা সাপটিকে এই নামেই এখন ডাকছেন। ১৯৩৬ সালে প্রথম ভারতের উতরখণ্ডে দেখা যায়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া এই সাপটি হলো ২২তম। এর আগে আর কোথাও এমন সাপ দেখা যায়নি। এখান থেকেই বোঝা যায় এই প্রজাতির সাপ কতটা বিরল।

বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের বোদা এবং তেঁতুলিয়ায় এই সাপটি দেখা গেছে। এটি বাংলাদেশের সাপের তালিকায় যুক্ত হবে এবং গবেষণাময় হবে। এটা অবশ্যই একটা ভালো খবর। এই সাপটিকে অল্প বিষধর বলা হয়। তবে এটা থেকে যদি আমরা ভেনম সংগ্রহ করতে পারি তাহলে গবেষণা করে বুঝতে পারবো এটা কতটা বিষধর। যোগ করেন রাজশাহীর বোরহান বিশ্বাস।

বোরহান বিশ্বাস বলেন, এই সাপটা দেখতেও যেমন সুন্দর তেমন এর জীবন প্রাণালীও চমৎকার এবং অন্য সাপের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এটা মাটির নিচে থাকতে পছন্দ করে। দিনের বেলায় একদমই বের হয় না। যেখান থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে সেখানকার মানুষরা জানিয়েছেন এটিকে দেখা যেত কিন্তু খুবই কম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শকুন রক্ষা ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে বীরগঞ্জে শকুন পরিচর্যা কেন্দ্র

ফখরুল হাসান পলাশ, দিনাজপুর

শকুন রক্ষা ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে বীরগঞ্জে শকুন পরিচর্যা কেন্দ্র

শকুন রক্ষা ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া জাতীয় উদ্যানে গড়ে তোলা হয়েছে শকুন পরিচর্যা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে বিভিন্ন জেলা থেকে শকুন সংগ্রহ করে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়। পরে সবল ও সুস্থ্য হলে তাকে আবার প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়। আর  বিলুপ্ত এই পাখি দেখতে  প্রতিদিনই দুর দুরান্ত থেকে আসছেন শতশত দর্শনার্থী।

উত্তরবঙ্গের একমাত্র শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে দিনাজপুর বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া জাতীয় উদ্যানে। শকুন রক্ষা এবং বংশ বিস্তারের লক্ষ্যে ৬ বছর আগে বন বিভাগ ও আইইউসিএন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই কেন্দ্রটি চালু করা হয়।


ঝিনাইদহের বাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

দেশে বিদেশে অর্থপাচারকারীদের বয়কটের আহ্বান

বৃদ্ধা মাকে ঘরে তুলেন না ছেলে, ভরণপোষণের ভার নিলেন ইউএনও

কন্যাসন্তান জন্ম দেয়ায় ৩ তালাক দিলেন স্বামী


বিলুপ্ত প্রায় এই শকুন প্রতিবছর শীতের সময় অন্য এলাকা থেকে দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে অসুস্থ বা খাদ্যাভাবে ক্লান্ত অবস্থায় আসে। ঠিকমতো উড়তে না পারায় সেসব শকুনকে উদ্ধার করে এই কেন্দ্রে আনা হয়। আর এসব শকুন দেখতে প্রতিদিনই দুর-দুরান্ত থেকে আসছেন অনেকে। 

সংশ্লিস্টরা জানান, প্রতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে এসব শকুন ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বছর ২১টি শকুন ছেড়ে দেওয়া হবে। গত বছরের এপ্রিলে ১৩টি শকুন সুস্থ অবস্থায় প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশীয় বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটিকে খাওয়ানো হচ্ছে মাংস

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

দেশীয় বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটিকে খাওয়ানো হচ্ছে মাংস

মাদারীপুরে দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির একটি শকুন উদ্ধার করেছে জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

সোমবার বিকেলে জেলা শহরের পুরান বাজারের ‘কাঁচা বাজার’ গলি থেকে শকুনটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাখিটি চিকিৎসা সেবা দিয়ে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

মাদারীপুর জেলা বন কর্মকর্তা তাপস সেনগুপ্ত বলেন, বিকেলে পুরান বাজারের কাচা বাজারে স্থানীয় লোকজন শকুন পাখিটিকে দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেয়। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেশীয় বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরে সদর উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে খবর দিয়ে এনে পাখিটির চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি।

আরও পড়ুন:


মোশাররফ করিম ‘বাংলাদেশের শাহরুখ খান’: আনন্দবাজার

গাড়িতে উঠিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ

এফ-৩৫ ও এস-৪০০ একসঙ্গে রাখা যাবে না, তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্র

পুলিশ সুপারের গাড়িতে সেতুমন্ত্রীর কাছে নিয়ে গেল পুলিশ

‌‘দূর সম্পর্কের বোনের’ সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক, সাজা বাতিল হলো কিশোরের

তুরস্ককে বাইডেন প্রশাসনের হুমকি


মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন, পাখিটি কিছুটা ক্লাস্ত দেখা যাচ্ছে। আপাতত আমরা কোনো ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করিনি। তবে পাখিকে খাওয়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের মাংস এনেছি। এগুলো খাওয়ানোর পরে আশা করছি শারীরিক ক্লান্তি দূর হবে। সুস্থ হয়ে উঠবে। এরপরেও যদি কোন ধরনের ওষুদপত্র খাওয়ানোর প্রয়োজন পড়ে; সে ব্যবস্থা করব।

এদিকে জেলা বন কর্মকর্তা তাপস সেনগুপ্ত বলেন, আমরা খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে খবর দিয়েছি; তারা এসে শকুনটি নিয়ে গিয়ে সুন্দরবনে ছেড়ে দেবে বলে আমাকে জানিয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পৃথিবী জুড়ে তীব্র পানি সংকটের আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক


পৃথিবী জুড়ে তীব্র পানি সংকটের আশঙ্কা

গত শতকের তুলনায় এই শতকে দ্বিগুন গতিতে হিমালয়ের বরফ গলছে। ভারত, চীন এবং নেপাল-ভুটানের প্রায় সাড়ে ছয়শো কোটি হিমবাহের ২ হাজার কিলোমিটার অঞ্চলের গত ৪০ বছরের স্যাটেলাইট ছবি পর্যবেক্ষণ করে পরিবেশবিজ্ঞানীরা এই মতামত দেন। 

হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় ঘনঘন বন্যা দেখা যাচ্ছে। হিমবাহ গলে কয়েক দশক পর নদী শুকিয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। এতে দেখা দিতে পারে পৃথিবী জুড়ে তীব্র পানি সংকট। এর মূল কারণ হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণতাকেই দায়ী করেছেন গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স এডভান্সেস জার্নালের এক প্রবন্ধে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ২০০০ সাল থেকে প্রতিবছর দেড় ফুটেরও বেশি বরফ গলেছে। 

প্রবন্ধে বলা হয়, জ্বালানি থেকে নির্গত ধোঁয়া আর অন্যান্য রাসায়নিক জমা হয় হিমালয়ের বরফে ঢাকা পাহাড়ের ওপর। যা সূর্যের তাপ শোষণ করে ত্বরান্বিত করে হিমবাহ গলার প্রক্রিয়া। এর প্রভাব পড়ছে এশিয়ার নদীগুলোর প্রবাহের ওপর। 


যে কারণে দোয়া কবুল হয় না

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌`জুমার’ দিনে যা করবেন

প্রতিদিন সকালে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি


অসময়ে হিমবাহ গলে দেখা দিচ্ছে ঘনঘন বন্যা। এমনকি সব হিমবাহ গলে কয়েক দশক পর সব নদ-নদী শুকিয়ে যাওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে। গত ৪ দশকে হিমালয় হিমবাহ পর্বতমালার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য গলে গেছে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।  

এশিয়ায় মূল নদীগুলোর উৎপত্তি হিমালয়ে। এই অঞ্চলগুলোর প্রায় ৮০ কোটি মানুষের জীবনধারা এসব নদীর ওপর নির্ভরশীল। দ্বিগুণ গতিতে হিমবাহ গলতে থাকলে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ঘনবসতিপূর্ণ এই অঞ্চলে একসময় তীব্র পানি সংকটের কারণে ভয়ানক বিপর্যয় নেমে আসবে। 

তাই সময় থাকতেই পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা যথাসম্ভব কমিয়ে গ্রীন হাউস গ্যাস কমাতে বলেছেন। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য মানুষের ভূমিকা অনেক। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশের ৬ বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে আজ

অনলাইন ডেস্ক

দেশের ৬ বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে আজ

দেশের ৬ বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় হালকা বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:


লাগামহীন ভোজ্যতেলের বাজার

ইয়েমেন যুদ্ধে অস্ত্রসহ সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধ ঘোষণা বাইডেনের

চতুর্থ দিনের শুরুতেই মুশফিককে হারালো টাইগাররা

মদপার্টি ও ধর্ষণ : নেহাও ৩ পেগ মদপান করেন


এতে আজ দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। আগামী ৩ দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

দেশে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দেশের কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেই। এবং কোথাও শৈত্যপ্রবাহও নেই। গত কয়েক দিনে দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই তাপমাত্রা বেড়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর