গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান

সংগৃহীত ছবি

গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক

গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংগঠনের ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খাঁনকে। সোমবার (১৯ জুন) গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দপ্তর সমন্বয়ক শাকিল উজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

সংগঠনের সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।

দলটির নেতাকর্মীদের দাবি, শীর্ষ দুই নেতা আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া এবং সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই মতানৈক্য চলছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা ছাড়াও দুজন দুজনকে দল থেকে সরাতে চাচ্ছিলেন। দুই নেতার দ্বন্দ্বে বিভক্ত হয়ে পড়েন তাদের অনুসারীরাও।

কয়েকজন শীর্ষনেতা জানান, দুই নেতার মতানৈক্য সম্প্রতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।  

গত রবিবার রাজধানীর গুলশান-২-এ রেজা কিবরিয়ার বাসায় গণ অধিকার পরিষদের বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে রেজা কিবরিয়া কেন ফরহাদ মজহার ও শওকত মাহমুদের ইনসাফ কায়েম কমিটির অনুষ্ঠানে গিয়েছেন তা জানতে চান নুর। তখন রেজা কিবরিয়া নুরুল হকের কাছে জানতে চান, গণ অধিকার পরিষদের নামে প্রবাস থেকে আসা টাকার হিসাব কোথায়? কেন তিনি ইসরায়েলি মেন্দি এন সাফাদি ও তার ‘বাংলাদেশি বন্ধু’ শিপন কুমার বসুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন?

পাল্টাপাল্টি প্রশ্নে শুরু হয় উত্তেজনা। শেষে সভা থেকে উঠে যান রেজা কিবরিয়া।  

দলের একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, রেজা কিবরিয়া ও নুরের এই মতানৈক্য অনেকদিন থেকেই। নুর রেজা কিবরিয়াকে দল থেকে বের করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে নানা কূটচাল করছেন। ফলে রেজা কিবরিয়া বিগত কয়েক মাস থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তিনি সরকারবিরোধী বিভিন্ন সভা-সমাবেশে গেলেও গণ অধিকার পরিষদের সভা-সমাবেশে খুব একটা যাচ্ছেন না।  

রেজা কিবরিয়ার অনুসারীরা জানান, দলটি চলে নুরের একক সিদ্ধান্তে। সেখানে রেজা কিবরিয়ার মতকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হতো না। আর নুরের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় তাকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

News24bd.tv/aa