মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৬ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে

ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত মাশরাফি

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত মাশরাফি

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাশরাফি ভক্ত বিএম জুয়েল রানা লিখেছেন-‘তোমার বীরত্ব তোমার ব্যান্ডেজ পেচানো হাঁটুতে নয়, বীরত্ব তোমার কলিজায়। হ্যাপি বার্থডে বস।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-সম্পাদক চৈতি বিশ্বাস লিখেছেন-‘শুভ জন্মদিন নড়াইল এক্সপ্রেস...।’ সাজ্জাদ শাহ ও মোস্তাফিজুর রহমান রানার মন্তব্য-‘শুভ জন্মদিন বস।’

মাশরাফির এক সময়ের সহপাঠী ও নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৌমেন চন্দ্র বসু লিখেছেন-‘শুভ জন্মদিন অধিনায়ক।’

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ৩৫তম জন্মদিনে এভাবেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার ভক্তরা। 

মাশরাফি ১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর নড়াইল শহরের আলাদাতপুরে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ক্রিকেট বিশ্বে অন্যতম ‘পেস বোলার’ হিসেবে খ্যাতি তার। লড়াকু এই ক্রিকেট তারকার নামের সঙ্গে কখনো ‘ঝড়ো ব্যাটিং’ শব্দটিও যুক্ত হয়ে যায়।

এদিকে, মাশরাফির জন্মদিনের পাশাপাশি তার ছেলে সাহেল মাশরাফিরও জন্মদিন আজ। ২০১৪ সালের ৫ অক্টোবর জন্ম নেন মাশরাফি ও সুমি দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান সাহেল মাশরাফি। সঙ্গত কারণে আজ তাই বাবা-ছেলের জন্মদিন। তবে তাদের জন্মদিনে বর্ণাঢ্য কোনো আয়োজন ছিল না।

মাশরাফির জন্মদিন প্রসঙ্গে তার মা হামিদা মর্তুজা বলাকা বলেন, ‘১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর সকাল ৮টার দিকে আমার বাবার বাড়ি নড়াইল শহরের আদালতপুরে জন্মগ্রহণ করে মাশরাফি। সেই দিনটি ছিল ‘মঙ্গলবার’। তবে জন্মের আগে জানতাম না, আমার ছেলে না মেয়ে হবে। ও (মাশরাফি) ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরেই ছেলে সন্তানের মুখ দেখলাম।’

মাশরাফির মা আরও বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমরা ওকে‘কৌশিক’ বলে ডাকি। পরিবারসহ নড়াইলবাসীর কাছে ‘কৌশিক’ নামেই পরিচিত বিশ্ববাসীর ‘মাশরাফি’। তবে আমাদের কৌশিকের জন্মদিন কখনো ঘটাও করে পালন করা হয়নি। ওর যখন এক বছর বয়স, তখন কেক কেটে জন্মদিন পালন করা হলেও পরবর্তীতে আর কখনো সেই ভাবে পালন করা হয়নি। এখন এতিম ও দুঃখী মানুষের মাঝে খাবার, টাকা-পয়সা দেয়ার মধ্য দিয়ে কৌশিকের জন্মদিন পালন করা হয়।’

ক্রিকেটে মাশরাফির খ্যাতি বিশ্বজোড়া হলেও ছোটবেলায় ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলতেন তিনি। পড়ালেখা আর খেলাধুলার পাশাপশি বন্ধুদের সঙ্গে দুরন্তপনায়ও মেতে থাকতেন তিনি। চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটা এবং আম, লিচুসহ বিভিন্ন ফল পেড়ে খাওয়ার আনন্দ উপভোগ করতেন বিভিন্ন সময়ে। বন্ধুদের নিয়ে দিন-রাত আড্ডা দিতে ভালোবাসতেন তিনি। মোটর সাইকেল চালিয়ে প্রিয় নড়াইল শহর ঘুরে বেড়াতেও তার জুড়ি নেই। ২০০৬ সালে নড়াইলের মেয়ে সুমনা হক সুমিকে বিয়ে করেন মাশরাফি।

দাম্পত্য জীবনে এক মেয়ে ও ছেলে সন্তানের জনক তিনি। বাবা গোলাম মতুর্জা স্বপন, মা হামিদা মর্তুজা বলাকা ও ছোট ভাই সিজারসহ স্ত্রী, সন্তান নিয়ে ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফির জীবন।


অরিন▐ NEWS24 

মন্তব্য