মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৬ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে

রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের তৃতীয় বৈঠক

ফাতেমা জান্নাত মুমু▐ রাঙামাটি

রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের তৃতীয় বৈঠক

সরকার বিধিমালা চূড়ান্ত করলে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক। 

আজ (৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার) দুপুর ২টার দিকে রাঙামাটি সার্কিট হাউজে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের তৃতীয় বৈঠক শেষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মত বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক বলেন, ‘ইতোমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ খসড়ার ওপর সংশোধনী দিয়েছে। সংশোধনী খসড়াটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করলে পার্বত্যাঞ্চলের ভূমি সক্রান্ত ২২ হাজারের অধিক আবেদনের ওপর শুনানির কাজ শুরু হবে। এ বৈঠকে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।’

এর আগে রাঙামাটি সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে মোহাম্মদ আনোয়ার উল হকের সভাপতিত্বে কমিশনের তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিশনের অন্যতম সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা, পার্বত্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আলী মনছুর, রাঙামাটি চাকমা সার্কেল প্রধান ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, বান্দরবান বোমাং সার্কেল প্রধান উ চ প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি মং সার্কেল প্রধানের প্রতিনিধি শৈলা প্রু চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাচিং প্রু চৌধুরী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. সোয়েব উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
 
বৈঠক শেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা বলেন, ‘বিধি প্রণয়ন ছাড়া কমিশনের কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। সরকার যত দ্রুত বিধি মালা প্রণয়ন করবে, কমিশনের কাজ তত দ্রুত এগিয়ে যাবে।’
 
এ ব্যাপারে রাঙামাটি চাকমা সার্কেল প্রধান ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেন, ‘ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীর মধ্যে যারা পুনর্বাসিত হয়নি, তাদের ভূমি প্রদানের মাধ্যমে ভূমি কমিশনের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া রাঙামাটি ও বান্দরবানে দ্রুতই ভূমি কমিশনের দু’টি শাখা অফিস খোলা হবে। জেলা ও নিজ নিজ সার্কেল অনুসারে সবকিছু ভাগ করে দেওয়া হলে তখন কাজ ছোট হয়ে আসবে এবং দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হবে। একই সাথে বিধিমালা প্রণয়নের কাজটিও চটজলদি করতে হবে।’


মুমু▐ অরিন▐ NEWS24 

মন্তব্য