চট্টগ্রাম-১০ উপনির্বাচনের ৯০ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ

চট্টগ্রাম-১০ উপনির্বাচনের ৯০ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী ও হালিশহর) আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে। সবগুলো কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

১৫৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯০টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে।

এতে আওয়ামী লীগের মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু নৌকা প্রতীকে ৩০ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সামসুল আলম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯৮ ভোট। আর তৃণমূল বিএনপির দীপক কুমার পালিত সোনালি আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ৭২২ভোট।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রশীদ মিয়া ছড়ি প্রতীকে ৩৩৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরমান আলী বেলুন প্রতীকে ২৬৪ ও মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া রকেট প্রতীকে ২৩৩ ভোট পেয়েছেন।

রোববার (৩০ জুলাই) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়েছে। ১৫৬ কেন্দ্রের ১ হাজার ৫৬৩টি সিসি ক্যামেরায় নির্বাচন ভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান ও রাশেদা সুলতানা।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কোনো ধরনের লিখিত কিংবা মৌখিক অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন গণনা চলছে। ফলাফল এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম থেকে ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সামসুল আলম (লাঙ্গল), তৃণমূল বিএনপির দীপক কুমার পালিত (সোনালি আঁশ), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রশীদ মিয়া (ছড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরমান আলী (বেলুন) ও মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া (রকেট)।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-১০ আসন। এ আসনে চার লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৩ জন ভোটার। এর মধ্যে দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯২৯ জন পুরুষ এবং দুই লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ জন নারী।

নির্বাচনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে দায়িত্ব পালনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আটজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং দুজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ আসনে গত তিনবারের সংসদ সদস্য ছিলেন ডা. আফছারুল আমীন। গত ২ জুন তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।