আবারও তিন ফরম্যাটের নেতৃত্বে সাকিব

সংগৃহীত ছবি

আবারও তিন ফরম্যাটের নেতৃত্বে সাকিব

অনলাইন ডেস্ক

আবারও তিন ফরম্যাটে এক অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট। টেস্ট ও টি২০ ফরম্যাটের পর নতুন করে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে। চোটের কারণে ভবিষ্যৎই হুমকির মুখে পড়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন তামিম। তার জায়গায় অধিনায়ক করা হয়েছে সাকিবকে।

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের নেতৃত্বেই আসন্ন এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে অংশ নেবে টাইগাররা।  

২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক টি২০ থেকে অবসর নেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। সাকিবে কাঁধে সেই দায়িত্ব গেলে তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। তবে ৬ বছর পর আবারও এক অধিনায়কেই আস্থা খুঁজলো বিসিবি।

গত বছর মুমিনুল হককে টেস্ট এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে টি২০ অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাকিবকে দেওয়া হয় দায়িত্ব। তার অধীনে দুই ফরম্যাটেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। তামিম ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ায় বিসিবির কাছে সেরা অপশন ছিল সাকিবই। তবে তিন ফরম্যাটের নেতৃত্ব বেশি চাপের হয়ে যায় কি-না, সে কারণে একটু দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল বটে।

কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ শুক্রবার নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের নাম ঘোষণা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফি বিন মর্তুজার সহ-অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। প্রথম টেস্টে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় সাকিবকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়। সেটাই ছিল নেতা সাকিবের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে নিজেকে প্রমাণ করায় পরের সিরিজেই তাকে ভারমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব দেয় বিসিবি।

প্রথম দফায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রায় দুই বছর। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের পর অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এই অলরাউন্ডারকে। এর ৬ বছর পর মাশরাফির অবসরে টি২০ দিয়ে আবারও নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। একই বছরে মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সাদা পোশাকের অধিনায়কের দায়িত্বও পান তিনি। এরপর ২০১৯ সালে আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়ে দ্বিতীয় দফায় নেতৃত্ব হারান তিনি।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর ২০২২ সালের জুনে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আবারও দলের নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। মাস কয়কে পরেই টি২০ নেতৃত্বও পান তিনি।

ওয়ানডেতে দুই দফায় এর আগে ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে ২৩ জয়ের বিপরীতে ২৬ হার। বাকি একটি ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি। এদিকে, সাদা পোশাকে তিন দফায় ১৯ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে ৪ জয়ের বিপরীতে ১৫ টেস্টে হেরেছে টাইগাররা। টি২০ ক্রিকেটে সাকিবের নেতৃত্বে ৩৯ বার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২৩ হারের বিপরীতে ১৬ বার হাসি মুখে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।  

news24bd.tv/SHS