ব্যাংকের ৯২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায়ী লাপাত্তা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সংগৃহীত ছবি

ব্যাংকের ৯২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায়ী লাপাত্তা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

পাট কেনার নামে খুলনার সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর শাখা থেকে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পালিয়ে গেছেন খুলনার মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তার জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত।

আজ মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) দুপুরে আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি অ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে পরবর্তী কয়েক বছর পাট কেনার জন্য ওই টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়। যা সুদে-আসলে বর্তমানে শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৭ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর দুদক খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে অর্থ-আত্মসাতের ঘটনায় সনজিৎ কুমার দাসসহ ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৮ আগষ্ট দুদকের একই কর্মকর্তা আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন।

আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, অর্থ আত্মসাতের মামলার আসামী সনজিৎ কুমার দীর্ঘদিন উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন তাকে একইসঙ্গে নিম্ন আদালতে তার পাসপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেন। সনজিৎ কুমার দাস তার পাসপোর্ট জমা না দিয়ে র‌্যাব জব্দ করেছে বলে আদালতকে জানান। পরবর্তীতে তার পাসপোর্ট র‌্যাব জব্দ করেনি বলে নিশ্চিত হয় দুদক।

এরপর দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জামিন বাতিল ও তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

একই মামলায় সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর শাখার গোডাউন কিপার মতিয়ার রহমান, সাবেক এজিএম নজরুল ইসলাম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মন্ডল, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রুহুল আমিন, অফিসার অজিত কুমার সরকারকে আসামি করা হয়।

news24bd.tv/SHS 

এই রকম আরও টপিক