বাগেরহাটে খামারের ৪ হাজার পাখি ও ডিম পুড়ে ছাই

বাগেরহাটে খামারের ৪ হাজার পাখি ও ডিম পুড়ে ছাই

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে আগুনে পুড়ে একটি খামারের ককাটেল ও বাজুরিকা জাতের চার হাজার পাখি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোববার ভোর রাতে উপজেলার সুরশাইল গ্রামের মো. শুভ্র শেখের পাখির খামারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আগুন নেভাতে গিয়ে শাকিল সুলতান রানু (৪৮), রাজু ফরাজী (২৮) ও তানজিল শেখ (১০) নামের তিন জন আহত হয়েছেন।

চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা ও এলাকাবাসী মিলে ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়য়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে
খামারির ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৈদ্যুতিক সর্টশার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

ক্ষতিগ্রস্থ তরুণ উদ্যোক্তা পাখি খামারি মো, শুভ্র শেখ জানান, বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে ৮ বছর আগে পাখির খামার শুরু করেছিলাম। অনেক কষ্টে খামারটিকে বড় করেছিলাম।

তার খামারে ককাটেল ও বাজুরিকা জাতের চার হাজারের বেশি পাখি ছিল। আমার বসত ঘরের পাশেই পাখির খামার। ভোর ৪ টার দিকে আগুনের তাপ ও পাখির চেচামেচিতে আমাদের ঘুম ভেঙ্গে যায়।

ঘরের বাইরে এসে দেখি, পাখির খামারে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুনে খামারের সব পাখি ও নগদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩০০ টাকা, দুইটি ঘর, চার শতাধিক পাখির খাঁচা, কয়েক হাজার বাচ্চা ও ডিম পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আমার ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মা-বাবা, ভাই-বোন ও স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়লাম বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন খামারি শুভ্র শেখ।

চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. আব্দুল অদুদ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আমরা আসার আগেই পাখি ভর্তি দুটি খামার ঘর পুড়েছে। এতে অনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৈদ্যুতিক সর্টশার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এই রকম আরও টপিক