ইসরায়েলে গেলেও গাজায় যাবেন না ইলন মাস্ক!

সংগৃহীত ছবি

ইসরায়েলে গেলেও গাজায় যাবেন না ইলন মাস্ক!

অনলাইন ডেস্ক

হামাসের গাজা সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক। তাকে ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা দেখতে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ধনকুবের সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন। যেখানে তিনি মন্তব্য করেন, ইসলায়েলের কাছে হামাসকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) হামাসের পলিটব্যুরোর সদস্য ওসামা হামদান লেবাননের বৈরুতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মাস্ক গাজার জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের পরিমাণ একটি বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখে গেলে তারা খুশি হবেন।

গাজায় আমন্ত্রণের বিষয়ে একজন টুইটার ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তরে মাস্ক বলেন, এই মুহূর্তে সেখানে যাওয়াটা কিছুটা বিপজ্জনক মনে হচ্ছে। তবে একটা সময় সমৃদ্ধ গাজায় শান্তি ফিরে আসবে এবং তা সব পক্ষের জন্যই ভালো হবে।  

এদিকে, এ মন্তব্য করার আগে মাস্ক ইসরায়েল ভ্রমণ করেন।

সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে দেখা করেন। হামাসের দ্বারা ধ্বংস হওয়া একটি কিবুটজের মধ্য দিয়ে এ সময় হাঁটেন তিনি। সেখানেই ৭ অক্টোবর হামলা চালিয়েছিল হামাস।

ইসরায়েলে মাস্ক এমন এক সময় ভ্রমণ করলেন যখন ‌‘সেমিটিক-বিরোধী’ অনুভূতি পোষণ করে বেশ আলোচনায় রয়েছেন তিনি। তিনি একটি পোস্টে ইহুদি জনগণকে শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে একটি দ্বান্দ্বিক অবস্থানে যাওয়ার বিষয় ইঙ্গত করেন।  তিনি এর আগেও ইহুদি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ এন্টি-ডিফেমেশন লিগ (এডিএল) এর সঙ্গে মতবিরোধে জড়ান। তবে মাস্ক ইহুদিবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন।

এদিকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে আরও ১২ জিম্মি এবং ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পেয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাস তাদের আরও ১২ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে এবং মুক্তির পর তারা গাজা ছেড়ে ইসরায়েলে এসে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে দুইজন থাই নাগরিক আছেন।

উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতি ৪৮ ঘণ্টা বাড়াতে একমত হওয়ার পর মঙ্গলবার ছিল হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার সাময়িক যুদ্ধবিরতির পঞ্চম দিন। যুদ্ধবিরতি শুরুর পর এ পর্যন্ত গাজা থেকে মোট ৮১ জন জিম্মি মুক্তি পেয়ে ইসরায়েলে ফিরে গেছেন। এর মধ্যে ৬১ জন ইসরায়েলের নাগরিক এবং তারা সবাই নারী ও শিশু।

সূত্র: আরটি

news24bd.tv/আইএএম