হার্টের রিংয়ের দাম ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে সরকার

প্রতীকী ছবি

হার্টের রিংয়ের দাম ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক

হৃদরোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্টের (হার্টের রিং) সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে।  ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের স্বাক্ষর করা এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন মূল্যের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রিংয়ের দাম কমেছে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত।

নির্ধারিত মূল্যের বেশি নিলে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে হার্টের রিং আমদানিকারক ২৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪০টির অধিক রিংয়ের নাম উল্লেখ করে আলাদা আলাদাভাবে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। রিংয়ের খুচরা দাম সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃদরোগ আক্রান্ত রোগীর রক্তনালি সরু বা বন্ধ (ব্লক) হয়ে যায়। এতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। রক্ত চলাচল সচল রাখতে স্টেন্ট ব্যবহার করা হয়।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও আইন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জনসাধারণের কথা বিবেচনা করে আগের চেয়ে দাম কমানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত এই দামের বেশিতে বিক্রয় করলে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন ২০২৩ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  ঔষধ ও কসমেটিকস আইন ২০২৩-এর ৩০ (১) ধারা মোতাবেক করোনারি স্টেন্টের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। কার্ডিয়াক চিকৎসা প্রদানকারী সকল হাসপাতালকে পাঁচটি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে হার্টের রিংয়ের মূল্যতালিকাটি জনগণের জন্য প্রদর্শন করতে হবে। হার্টের রিং সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যবস্থা করতে হবে।

রিংয়ে নাম, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এবং উৎপাদনকারীর নাম উল্লেখপূর্বক পৃথক ক্যাশমেমো প্রদান করতে হবে। রোগীকে ব্যবহৃত রিংয়ের প্যাকেট সরবরাহ করতে হবে। রিংয়ের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ, উৎপাদক দেশ ও মূল্য সংবলিত হতে হবে।

news24bd.tv/DHL

পাঠকপ্রিয়