চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ১৫

সংগৃহীত ছবি

চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ১৫

অনলাইন ডেস্ক

চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে অবস্থিত চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলায় ১৫ জন নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিজেও নিহত হন। খবর রয়টার্সের।

চেক পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সামনে জান পালাচ স্কয়ারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্কয়ারে অবস্থিত রুডলফিনাম গ্যালারির পরিচালক পিটার নেদোমা জানান, আমি এক তরুণকে হাতে অটোম্যাটিক বন্দুক নিয়ে মেইনস ব্রিজের দিকে গুলি ছুঁড়তে দেখি। লোকটি কিছুক্ষণ পর পর গুলি করছিলো, এবং এক পর্যায়ে সে বন্দুকটি ফেলে দেয় এবং দুই হাত উঁচু করে দাঁড়ায়। বন্দুকটি ফুটপাতে পড়ে ছিলো।

ঘটনার পর পুলিশ স্কয়ারটিকে সিলগালা করে দেয়।

স্কয়ারের মাঝখান দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে যেটি দিয়ে পর্যটকরা হেটে শহরের পুরোনো অংশে গিয়ে থাকে।

ক্লারা নামের একজন শিক্ষার্থী জানান, আমাকে পুলিশ উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পুরো পরিবেশ বেশ ভীতিকর ছিলো। পুলিশ সদস্যরা আমাদের দিকে সাব মেশিনগান উঁচিয়ে চিৎকার করে আমাদেরকে বাইরে বের হওয়ার জন্য বলছিলো।

হামলার সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কলা অনুষদের কর্মচারীদেরকে পাঠানো এক ইমেইলে বলা হয়, যদি আপনারা অফিসে থেকে থাকেন তবে বাতি নিভিয়ে দিন, দরজা বন্ধ করুন, দরজার সামনে চেয়ার-টেবিল পেতে দিন।

নিজের এক্স (পূর্বে টুইটার) অ্যাকাউন্টে লেখা এক বার্তায় চেক প্রধানমন্ত্রী পিটার ফিয়ালা দেশটির উত্তরে তার সফর বাতিল করেন এবং প্রাগে ফিরে আসার কথা জানান।

চেক প্রজাতন্ত্রে বন্দুক হামলা খুব কম হয়। ২০১৯ সালে ৪২ বছর বয়সী এক বন্দুকধারী দেশটির পুর্বাঞ্চলীয় অস্ত্রাভা শহরে গুলি করে ছয়জনকে হত্যা করার পর পালিয়ে যায় এবং নিজেকেও গুলি করে মেরে ফেলে।

২০১৫ সালে এক ব্যক্তি উহারস্কি ব্রড শহরে এক রেস্তোরাঁয় গুলি করে আটজনকে হত্যা করে।

news24bd.tv/ab