নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যেসব পদক্ষেপ ইসির

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যেসব পদক্ষেপ ইসির

অনলাইন ডেস্ক

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বলেছেন, এবার একটি ভোটও কারচুপির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ওই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ হবে।

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বেশি আসলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা এমনকি প্রার্থিতাও বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।

ভোটবিরোধী লিফলেট বিতরণের ব্যাপারে হুঁশিয়ার করে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য লিফলেট বিতরণ হচ্ছে- এমনটা চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত কয়েক দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কর্মকর্তাদের এমন বক্তব্যের প্রতিফলনও লক্ষ করা গেছে।

নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পুলিশের নির্লিপ্ততার কারণে ঝিনাইদহের শৈলকুপা ও হরিনাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহিয়া মাহি সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও মান হানিকর ভিডিও প্রকাশ এবং জুতাপেটার হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত মাহাবুর রহমান মাহাম নামে এক ব্যক্তিকে শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

এছাড়াও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নওগাঁ-১ (সাপাহার-পোরশা-নিয়ামতপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠিয়েছে জেলার নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।

একই অভিযোগে যশোর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদারকে শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। সেই সঙ্গে নোটিশে শাহীন চাকলাদারকে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ছাড় দেওয়া হয়নি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শামীম ওসমানকেও। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং নৌকার এ প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শৈলকুপা ও হরিনাকুন্ডু থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির
নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পুলিশের নির্লিপ্ততার কারণে ঝিনাইদহের শৈলকুপা ও হরিনাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঝিনাইদহ, যশোর ও রাজশাহীতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে ঝিনাইদহের দুই থানার ওসির নির্লিপ্ততার অভিযোগ এসেছে।

তাই শৈলকূপা থানা ও হরিনাকুন্ড থানার ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া যশোর ও রাজশাহীতে মামলা হাওয়ায় সেখানকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।

চিত্রনায়িকা মাহির হুমকিদাতাকে শোকজ
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহিয়া মাহির (শারমিন আক্তার নিপা) সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও মান হানিকর ভিডিও প্রকাশ এবং মাহিয়া মাহিকেকে জুতা পেটা করার হুমকি দেয়ায় অভিযুক্ত মাহাবুর রহমান মাহাম নামের এক ব্যক্তিকে শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

আজ রোববার বিষয়টি তদন্ত করে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি শোকজ দেয়।  নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি ও রাজশাহীর জেলা এবং দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান আবু সাঈদ শোকজ করে তাকে আগামী ২৭ ডিসেম্বর আদালতে উপস্থিত হয়েছে লিখিত জবাব দিতে বলেছেন।

শোকজপ্রাপ্ত মাহাবুর রহমান মাহাম নিজেকে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন।

ফেসুবক লাইভে নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরীর সমর্থক হিসেবে নিজেকে দাবি করেছেন মাহাম।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতোমধ্যে 'ট্রাক' প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করছেন তিনি। প্রচারণার মাঠে নানান প্রতিশ্রুতিও দিয়ে যাচ্ছেন মাহি। সেইসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী গত কয়েকদিন ধরে নিজের প্রচার-প্রচারণায় রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর) আসনের নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে নানা মন্তব্য বলছেন। ফারুক চৌধুরীর নানা বিতর্ক সামনে এনে তিনি এবার তাকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। এসব কারণে মাহিয়া মাহিকে জুতা মারার হুমকি দিয়েছেন নৌকার প্রার্থীর এক সমর্থক মাহাম।  

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক ভিডিওতে মাহিকে জুতা দেখিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আপনার মতো মাহিয়া মাহিকে, এই যে দেখছেন এই জুতা? এই জুতা দিয়ে, একদম জুতা দিয়ে পিটানো উচিত আপনার মতো মেয়েকে। কারণ, আপনি এমন একটা মেয়ে আপনার মা এই চলচ্চিত্র জগতে যাওয়ার আগে আপনাকে নিষেধ করেছেন। ’

ওই যুবক যদিও কিছুক্ষণ পর সেই ভিডিও ফেসবুক আইডি থেকে মুছে ফেলেন।

মাহাম ভিডিওতে মাহিয়া মাহি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। কারা সিনেমায় যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন। বলেন, ‘আপনার মতো মাহিয়া মাহির দ্বারা তানোর-গোদাগাড়ীর উন্নয়ন তো দূরের কথা; হাজারো ছেলে নষ্ট হবে। আপনার মতো দুশ্চরিত্রা মহিলা থাকলে। আপনার মতো বেয়াদব মহিলাকে আমি এখনও বলছি, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে আর একটা যদি বাজে মন্তব্য কখনও করেন, আপনাকে জুতা দিয়ে পিটানো উচিত। আপনি ওমর ফারুক চৌধুরীর বাসার কাজের মেয়ের যোগ্য না। ’

এর আগে এ আসনের নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। অভিযোগ দিলে মাহামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদারকে শোকজ
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নওগাঁ-১ (সাপাহার-পোরশা-নিয়ামতপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠিয়েছে জেলার নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।

সোমবার দুপুরে নওগাঁ-১ আসনের জন্য নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও জয়পুরহাটের সহকারী জজ ইফতেখার শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর (রোববার) বিকেল ৩টার সময় নির্বাচনী তদন্ত কমিটি নওগাঁ-১-এর অস্থায়ী কার্যালয় নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাপাহার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এজলাসে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার গত ৪ ডিসেম্বর বিকেল ৩টার দিকে পোরশা উপজেলার সারাইগাছী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বলে খালেকুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির কাছে অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির অভিযোগকারীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা থাকায় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে আগামী ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় সাপাহার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এজলাসে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার ১২ ধারায় বলা আছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তিন সপ্তাহ সময়ের আগে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। এর আগে ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ নেই।

শাহীন চাকলাদারকে শোকজ

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় যশোর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদারকে শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। রোববার কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক সুজাতা আমিন এ শোকজ নোটিশ ইস্যু করেন। নোটিশে আগামী ৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় শাহীন চাকলাদারকে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে শাহীন চাকলাদারের দাবি, তিনি কোনো আচারণ বিধি লঙ্ঘন করেননি।

নোটিশে বলা হয়েছে, শাহীন চাকলাদার গত ২৯ নভেম্বর যশোর থেকে শোডাউন করে গাড়িবহর নিয়ে কেশবপুর যান এবং সেখানে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় অংশ নেন। এতে জনগণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নির্বাচনী প্রচারণা করেছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে নির্বাচনী প্রচারণার আইন নেই। শাহীন চাকলাদার আগে থেকে প্রচারণা শুরু করে সে আইন ভঙ্গ করেছেন। একইভাবে তিনি ৩০ নভেম্বর এবং ১ ও ২ ডিসেম্বর পর্যায়ক্রমে উপজেলার পাজিয়া ইউনিয়ন, সুফলাকাটি ইউনিয়ন ও মজিদপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচনী প্রচারণা করেছেন, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর ৬ (ঘ), ৮(ক), ১০(ক) এবং ১২ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেছে।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে শাহীন চাকলাদার বলেন, নির্বাচনী আচারণবিধি সম্পর্কে আমার সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। কেউ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিকে ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখনও নোটিশ পাইনি। পেলে জবাব দেব।  

জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা আনিচুর রহমান বলেন, যশোর-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমাদের কাছে এখনও সংশ্লিষ্ট কোনো চিঠি আসেনি।

শাহীন চাকলাদার আওয়ামী লীগের যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি বর্তমানে যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য। আসন্ন নির্বাচনে তিনি এ আসন থেকেই আবারও নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

মমতাজকে শোকজ

নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে মানিকগঞ্জের-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী কষ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে কারণ দর্শনোর নোটিশ (শোকজ) করেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) অনুসন্ধান কমিটির প্রধান মানিকগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ রেজমিন সুলতানা এ নোটিশ দেন। যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাঁটলিপিকার (স্টেনোগ্রাফার) মো. রফিক এ কথা জানান।

মো. রাফিক জানান, সম্প্রতি সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ এলাকায় আওয়ামী লগের প্রার্থী মমতাজ বেগম জনসভা করেন।

যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আচারণবিধি লঙ্ঘন করায় অনুসন্ধান কমিটি শনিবার দুপুরে প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়, আগামী সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে অথবা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।   
মমতাজ বেগম সিংগাইর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি ২০০৮ সালে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হন। এর পরে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম, ২০১৮ সালেও অনুষ্ঠিত একাদশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সংসদ সদস্য হন। এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও তিনি তৃতীয় বারের মতো নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। জেলার সিংগাইর, হরিরামপুর উপজেলাসহ সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন নিয়ে মানিকগঞ্জ-২ আসনে।

শামীম ওসমানকে শোকজ

নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং নৌকার প্রার্থী শামীম ওসমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাজী ইয়াসিন হাবীব এ নোটিশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ৩ ডিসেম্বর আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কিংবা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শোকজ নোটিশে বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে শুক্রবার শামীম ওসমানের পক্ষে ভোট চেয়ে ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মিছিল করেন তার অনুসারী আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

প্রতীক বরাদ্দের আগে এ ধরনের কার্যক্রম নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।