নির্বাচন আসলেই প্রার্থী হয়ে টাকা কামাইয়ের ধান্ধায় নামিস, হিরো আলমকে প্রতিপক্ষ

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন আসলেই প্রার্থী হয়ে টাকা কামাইয়ের ধান্ধায় নামিস, হিরো আলমকে প্রতিপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হয়েছেন। তার অভিযোগ, আজ কাহালুতে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে তিনি বাধার মুখে পড়েন। এ সময় তার কর্মীদের সঙ্গে প্রতিপক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।  

আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাহালু উপজেলা সদরের খাদ্যগুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হিরো আলম বলেন, ‘আমি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা চালাতে গেলে ১০-১২ জন যুবক এসে বাধা দেয়। তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বলে তুই (হিরো আলম) ব্যবসা শুরু করেছিস। নির্বাচন আসলেই প্রার্থী হয়ে টাকা কামাইয়ের ধান্ধায় নেমেছিস। এ সময় তারা আমার কর্মীদের কিল-ঘুষি মারে।

যারা মারধর করেছে তারা নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থক। ’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় পুলিশ আশপাশে চায়ের দোকানে ছিল। আমি হামলাকারীদের আটকের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করলেও পুলিশ আমার কথায় গুরুত্ব দেয়নি। আমার জনপ্রিয়তা দেখে একের পর এক হামলা করা হচ্ছে। এর আগে শনিবার নন্দীগ্রামেও হামলা করা হলে পুলিশ এখনো কাউকে আটক করেনি। ’

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন কবিরাজ বলেন, ‘ওই ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়। অন্য দলের এক ছেলে হিরো আলমের এক কর্মীকে ধাক্কা দিয়েছে বলে শুনেছি। ’

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ‘শুনেছি খাদ্যগুদাম এলাকায় হিরো আলমের কর্মীদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

এর আগে, চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (একতারা প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। এর মধ্যে বগুড়া-৪ আসনে ১৪ দলীয় জোটের শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিমের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান। এরপর ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

news24bd.tv/SHS