কুড়িগ্রামে ক্রমেই বাড়ছে ঠান্ডার ঝাঁকুনি

কুড়িগ্রামে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

কুড়িগ্রামে ক্রমেই বাড়ছে ঠান্ডার ঝাঁকুনি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে বাড়ছে ঠান্ডার প্রকোপ। দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় ঠান্ডার তীব্রতা যেন বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি হিম বাতাসে শরীরে ধরিয়ে দিচ্ছে কাঁপুনি। মঙ্গলবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।

স্থানীয় খলিলগঞ্জ বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী প্রিন্স জানান, ‘শীতের কারণে গ্রামেগঞ্জে শিশুরা ডায়রিয়াসহ নানাবিধ শীতজনিত রোগে ভুগছে। চিকিৎসা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসা কর্মীদের। ’

অপর হোটেল ব্যবসায়ী আব্দুল মোন্নাফ জানান, ‘এরকম পরিস্থিতিতে মোটা শীতবস্ত্রের প্রয়োজন। যারা কম্বল বিতরণ করেন তারা বেশি বেশি কম্বল না দিয়ে অল্প মানুষকে কিছু ভারী শীতবস্ত্র দিন যেটা তাদের কাজে লাগবে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার জানান, ‘প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত ২শ’ কম্বল পেয়েছি। যা বিতরণ করে দিয়েছি। মানুষের চাপ বেশি কিন্তু সরবরাহ নেই। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিদিন মানুষের ভিড় বাড়ছে। ’

সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় ঠান্ডার প্রকোপে শহরে মানুষ চলাচল কমে গেছে। হিম ঠান্ডা হাওয়ার কারণে প্রধান প্রধান সড়কে নেই যানবাহনের জটলা। শহরের তেমনি এলাকার অটোচালক বকদুল জানান, ‘আজ কুয়াশা না থাকলেও বাতাসের কারণে খুব ঠান্ডা লাগছে। গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না। ’

অপরদিকে স্টেশন এলাকায় বিশ মিনিট ধরে অটোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন যাত্রী আবুল হাসান। তিনি জানান, ঠান্ডার কারণে রাস্তায় অটোচলাচল কমে গেছে। যেগুলো আসছে সবগুলোতে যাত্রী বোঝাই। ফলে অটোর জন্য বিশ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। ’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, ‘এইরকম তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে। তবে এ মাসের মধ্যে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। ’

news24bd.tv/SC