বিশ্বের সেরা ৫ জন: বিচিত্র উপায়ে খুন করাই যাদের নেশা 

ফ্রেড ও রোজ ওয়েস্ট

বিশ্বের সেরা ৫ জন: বিচিত্র উপায়ে খুন করাই যাদের নেশা 

অনলাইন ডেস্ক

মানুষ কেন খুন করে এ প্রশ্নের সাইকোলজিক্যাল ব্যখা অনেক মনোবিদই আজও দিতে পারেননি ।  ফ্রেড ও রোজ ওয়েস্টের গল্পটা বেশ মজার। তারা প্রেম করে বিয়ে করেন। এক রাতে তারা দুজনেই মদ খাচ্ছিলেন।

মদ খেতে খেতে আলাপ করেন তাদের তো কোনো কিছুর অভাব নেই । টাকা, বাড়ি ,গাড়ি, সঞ্চয় সবই আছে। প্রেমও আছে। কিন্তু কিসের জানি একটা অভাব।
তাদের প্রায়শই মন ভাল থাকত না। তাই মন ভাল রাখার জন্যে সিদ্ধান্ত নেন  এডভেঞ্চারের। এই সিদ্ধান্তের পরদিনই তারা খুন করেন এক পথচারিকে। লাশ লুকিয়ে ফেলেন। এই পেয়ে যায় খুনের নেশা।  

ফ্রেড ও রোজ ওয়েস্ট: মার্কিন এই দম্পতিও ছিলেন সিরিয়াল কিলার। ১১ জন যুবতীকে নৃশংস অত্যাচার করে হত্যা করেন এই দম্পতি। পুলিশ তাদের বাড়ির বাগান থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করে। জেল হয় ওই দম্পতির।

আর্থার সাওক্রস: ১৯৭২ সালে ১০ বছরের এক বাচ্চা ছেলেকে ধর্ষণ করে খুন করেছিলেন আর্থার। তারপর এক আট বছরের বাচ্চা মেয়ের সঙ্গেও একই কাণ্ড ঘটান। পুলিশের নজরে আসেন খুব শীঘ্রই। ১৪ বছর জেলে কাটান। জেল থেকে বেরনোর পরেই ২২ থেকে ৫৯ বছরের ১২ জন যৌনকর্মীকে ধর্ষণ করে হত্যা করেন। তার নেশা ছিল ব্রথেলে যাওয়া ও যৌনকর্মীদের ভাড়া করে বাসায় নিয়ে এসে  খুন করা।  ২০০৮ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

টেড বান্ডি: বিশ শতকের অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার টেড। যুবতীদের ধর্ষণ করে তাদের দেহ থেকে মাথাটা আলাদা করে নিয়ে নিজের বাড়িতে পুরস্কারের মতো সাজিয়ে রাখতেন ইনি। ১৯৮৯ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি গ্রেফ্তার হওয়ার পর তার বাসায় গিয়ে দেখা যায় ৭৯ তরুণীর মুখ ঝুলে আছে।

হ্যারল্ড শিপম্যান: কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে ইতিহাসের পাতায় খোদাই করা রয়েছে এই চিকিত্সকের নাম। আড়াইশোর বেশি মানুষকে খুন করেছেন হ্যারল্ড শিপম্যান। সমাজ ও বন্ধুমহলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালই ছিল। মাঝেমধ্যেই তার চেম্বার এবং হাসপাতালের কাছাকাছি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যেত। ময়নাতদম্তে সব মৃতদেহেই একটা জিনিসের মিল ছিল। তা হল ডায়ামরফিন। শিপম্যান তার রোগীদেরকে রীতিমতো জবরদস্তি করে এই ডোজ দিতেন। অতঃপর তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। ২০০৪ সালে জেলে থাকার সময় আত্মহত্যা করেন ফ্রেডরিক শিপম্যান।

রিচার্ড রামিরেজ: তার ডাক নাম ‘নাইট স্টকার’। তিনি যাকে খুন করতেন তার বাড়িই খনের পর জ্বালিয়ে দিতেন। মহিলাদের ধর্ষণ করে, ছুরি মেরে, গুলি করে হত্যা করতেন তিনি। ৯ বছরের শিশু থেকে শুরু করে, ৭০ বছরের বয়স্কা অবধি কাউকেই বাদ দেননি রামিরেজ। ২০১৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার জেলে তার মৃত্যু হয়। সূত্র: হ্যালো ম্যাগাজিন ও  সিএনএন 

news24bd.tv/ডিডি


 

এই রকম আরও টপিক

পাঠকপ্রিয়