শীতের দাপটে জবুথবু কুড়িগ্রামের জনজীবন 

কুড়িগ্রামের জনজীবন

শীতের দাপটে জবুথবু কুড়িগ্রামের জনজীবন 

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম 

কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে বাড়ছে ঠান্ডার প্রকোপ। দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি হিম বাতাসে শরীরে ধরিয়ে দিচ্ছে কাঁপুনি। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করেছে।

খলিলগঞ্জ বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী প্রিন্স বলেন, ‘শীতের কারণে গ্রামে-গঞ্জে শিশুরা ডায়রিয়াসহ নানান শীতজনিত রোগে ভুগছে। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ’ 

অপর হোটেল ব্যবসায়ী আব্দুল মোন্নাফ জানান, ‘এ রকম পরিস্থিতিতে মোটা শীতবস্ত্রের প্রয়োজন। যারা কম্বল বিতরণ করেন তারা বেশি বেশি কম্বল না দিয়ে অল্প মানুষকে কিছু ভারী শীতবস্ত্র দিন, যেটা তাদের কাজে লাগে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার বলেন, ‘প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত ২শ’ কম্বল পেয়েছি। সেগুলো বিতরণ করে দিয়েছি। মানুষের চাপ বেশি, কিন্তু সরবরাহ নেই। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতদিনি মানুষের ভিড় বাড়ছে। ’

সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় ঠান্ডার প্রকোপে শহরে মানুষ চলাচল কমে গেছে। হিম ঠান্ডা হাওয়ার কারণে প্রধান প্রধান সড়কে নেই যানবাহনের জটলা। শহরের তেমনি এলাকার অটোচালক বকদুল বলেন, ‘আজ কুয়াশা না থাকলেও বাতাসের কারণে খুব ঠান্ডা লাগছে। গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না। ’

অপরদিকে, স্টেশন এলাকায় ২০ মিনিট ধরে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন যাত্রী আবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে রাস্তায় অটোরিকশা চলাচল কমে গেছে। যেগুলো আসছে সবগুলোতে যাত্রী বোঝাই। ফলে অটোর জন্য ২০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। ’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, এ রকম তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন থাকবে। তবে এ মাসের মধ্যে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

news24bd.tv/আইএএম

এই রকম আরও টপিক