ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজ আটক করলো ইরানের নৌবাহিনী

অপহৃত তেলবাহী জাহাজ গ্যালাক্সি লিডার।

ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজ আটক করলো ইরানের নৌবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক

ওমান উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজের দখল নিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে চার-পাঁচজন মুখোশধারী ব্যক্তি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী সেইন্ট নিকোলাস নামক জাহাজটি দখলে নিয়ে নেয় বলে এর আগে জানিয়েছিল যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন। খবর আল জাজিরার।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান আম্ব্রে জানায়, ওমানের সোহার শহর থেকে ৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে এই ঘটনাটি ঘটে এবং দখলের পর জাহাজটিকে ইরানের বন্দর-এ-জাস্কের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নজরদারী করা ওয়েবসাইট ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডট কম জাহাজটিকে সেইন্ট নিকোলাস বলে চিহ্নিত করেছে এবং জাহাজটিতে ইরাকের তেল ছিল বলে জানিয়েছে। এর আগে জাহাজটির নাম ছিল সুয়েজ রাজা এবং নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ইরানি তেল সরবরাহ করার দায়ে অতীতে জাহাজটিকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করেছিল।

আম্ব্রে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আটক হওয়ার পর ১০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেলের বিনিময়ে জাহাজটিকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছিল।

ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন জানায়, ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী জলসীমায় এই জাহাজ দখলের ঘটনা ঘটেছে এবং জাহাজটির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির ফোনে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে কথা বলতে শোনা যায়।

আম্ব্রে জানায়, জাহাজটিতে উঠার সময় সন্ত্রাসীরা জাহাজটির নিরাপত্তা ক্যামেরাগুলো বন্ধ করে দেয় এবং বন্দর-এ-জাস্কের কাছাকাছি আসার পর জাহাজটির ট্র্যাকার বন্ধ করে দেয়া হয়।  
জাহাজটি ইরাকের বসরা থেকে তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল।

তেল পরিবহণের প্রধান পথ এবং ওমান ও ইরানকে আলাদা করা ওমান উপসাগরে বিগত সময়ে বেশ কিছু জাহাজ অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ঘটনাতেই ইরান জড়িত ছিল।

জাহাজটির মালিক গ্রীক প্রতিষ্ঠান এম্পায়ার নেভিগেশন জাহাজটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। জাহাজটিতে ১৮ জন ফিলিপিনো এবং একজন গ্রীক নাবিক ছিলেন। জাহাজটি ১ লাখ ৪৫ হাজার টন তেল পরিবহণ করছিল।

news24bd.tv/ab

এই রকম আরও টপিক

পাঠকপ্রিয়