চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আজ তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

সংগৃহীত ছবি

চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আজ তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

অনলাইন ডেস্ক

উত্তেজনা আর নানা সমীকরণের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাইওয়ানে। যুক্তরাষ্ট্র আর চীন, দুই দেশের কাছেই কৌশলগতভাবে তাইওয়ান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চীন তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ড বলেই দাবি করে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের ‘স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের’ পক্ষে একাট্টা।

আজ শনিবার (১৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে প্রায় ২ কোটি ভোটার নির্ধারণ করবেন তাইওয়ানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন।

তাইওয়ানের এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এবারের নির্বাচনে যিনি জয়ী হবেন তার ওপর নির্ভর করবে চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের ভবিষ্যত সম্পর্ক কেমন হবে।

চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। তাই তাইওয়ানের নির্বাচনে চীন এমন একজনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চায় যিনি চীনের বশ্যতা স্বীকার করবেন।

এবারের  নির্বাচনে তাইওয়ানের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ডেমোক্রেটিক পোগ্রেসিভ পার্টির ( ডিপিপি) সাই ইং ওয়েনের উত্তরসূরী নির্বাচিত হবেন। সাই ২০১৬ ও ২০২০ সালে পরপর দু’বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তার মেয়াদ সম্পন্ন করেছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাইপের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) লাই চিং তে, রক্ষণশীল কোয়োমিনতাং পার্টির (কেএমটি) হো ইয়ু হই ও তাইওয়ান পিপলস পার্টির (টিপিপি) কো ওয়েন জে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর থেকে মূলত দুটি রাজনৈতিক দল ডিপিপি ও কেএমটি প্রতি চার বছর পর জয়ী হয়ে আসছে। তবে দেশটিতে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও ধীর অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে ক্ষমতাসীন দল ডিপিপির প্রতি আস্থা কমেছে তাইপের জনগণের।

তাইওয়ানে প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারে না কেউ। নির্বাচনে প্রায় ১৮ হাজার ভোট কেন্দ্র থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন দেশের জনগণ। ভোটার প্রায় ২ কোটি।

কয়েক মাস ধরেই নির্বাচনকে ঘিরে চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। নির্বাচন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। কারণ চীনের সঙ্গে দ্বীপটির ভবিষ্যত কী দাঁড়াবে তা এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে।

news24bd.tv/DHL

পাঠকপ্রিয়