বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৪ মিনিট আগে

টিকে গেল জামায়াত

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

টিকে গেল জামায়াত

ধানের শীষ প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের নির্বাচন করতে বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও জামায়াতের ২৫ জনের প্রার্থিতা বহাল রাখার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চেয়ে রুল দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করেন চার ব্যক্তি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের যেহেতু প্রার্থিতা অনুমোদন ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেহেতু এ পর্যায়ে এসে আইনগতভাবে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই বলে নির্বাচন কমিশন (ইসির) সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে এ রিট আবেদন করা হয়েছিল।

বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীর পক্ষে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর এ রিট আবেদন করেন।

জামায়াতের টিকে যাওয়া প্রাথীরা হলেন-
 ঢাকা-১৫ আসনে ডা. শফিকুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৪ রফিকুল ইসলাম খান, খুলনা-৬ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-১১ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, খুলনা-৫ মিয়া গোলাম পারোয়ার, পাবনা-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৫ ইকবাল হোসাইন, যশোর-২ আবু সাঈদ মো. শাহাদাত হোসাইন, ঠাকুরগাঁও-২ আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আবু হানিফ, দিনাজপুর-৬ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ আজিজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান।

সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী, নীলফামারী-২ মো. মনিরুজ্জামান, ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ ওয়াদুল শেখ, বাগেরহাট-৪ আব্দুল আলীম ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনে শামসুল ইসলাম।

জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ কক্সাবাজার-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। সেখানে বিএনপি অন্য কোনো প্রার্থী দেয়নি। এ ছাড়া জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম-১৬ এবং ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান পাবনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য