হামাসের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো যুক্তরাষ্ট্র

অ্যান্টোনি ব্লিঙ্কেন

হামাসের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাবকে গ্রহণ করেছে হামাস। হামাসের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘বিষয়টি আশাব্যঞ্জক। ’ মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের তেল আবিবে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

খবর: রয়টার্স।   

সোমবার (১০ জুন) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য অ্যামেরিকার তিন স্তরের একটি খসড়া প্রস্তাব ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ দেশের সমর্থনে পাস হয়।

এর প্রতিক্রিয়ায় গাজার শাসক দল হামাসের পক্ষে একজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেওয়া এবং আলোচনার জন্য তাদের প্রস্তুতির কথা জানান।

গাজার বাইরে থাকা হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি বলেন, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

তিনি জানান, ইনরায়েল এটি মেনে চলবে কি না তা নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করে।

সামি বলেন, হামাস গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলের জেলে থাকা প্যালেস্টেনিয়ান বন্দিদের জন্য গাজায় জিম্মিদের অদলবদল করার শর্ত মেনে নিয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনা অনুমোদনের পর ইসরায়েল অবশ্য তার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় অব্যাহত সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে।

ইসরায়েলের দিকে ইঙ্গিত করে আবু জুহরি আরও বলেছেন, আমেরিকার নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবিলম্বে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে বাধ্য করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন প্রশাসন একটি বাস্তব পরীক্ষার সম্মুখীন হচ্ছে।

হামাস ইতিবাচক বিবৃতি দেওয়ার পর অ্যান্টোনি ব্লিঙ্কেন এটিকে ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে, হামাস নেতৃত্বের কাছ থেকে এখনও নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে অ্যান্টোনি ব্লিনকেন বলেন, এটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটাই আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নেই।

ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গাজার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা আগামী কয়েক দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে জানিয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, আমাদের এ পরিকল্পনাগুলো থাকা অপরিহার্য।

‘গাজার জন্য যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা, শাসন ব্যবস্থা এবং ঘনবসতিপূর্ণ উপত্যকাটির পুনর্নির্মাণ,’ বলেন ব্লিঙ্কেন।

news24bd.tv/আইএএম

পাঠকপ্রিয়