বজ্রপাতে দুই জেলায় ঝরল তিন প্রাণ

বজ্রপাতে দুই জেলায় ঝরল তিন প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও আশুগঞ্জে এবং কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও আশুগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় পৃথক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে আশুগঞ্জের শরীফপুর ইউনিয়নের টুঙ্গীপাড়ায় গরুর বাজার থেকে ফেরার পথে বজ্রপাতে কালু মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সঙ্গে থাকা হোসাইন (৩২) নামে এক যুবক। তিনি সম্পর্কে নিহতের ভাতিজা।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহমদ জানান, বাজারে গরু বিক্রি তারা বাড়িতে ফেরার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে কালু মিয়া নিহত হন। হতাহতদের বাড়ি উপজেলার তারুয়া গ্রামে। নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, সন্ধ্যায় জেলার নবীনগরে মেঘনা নদীতে বজ্রপাতে মো. জনি (২৫) বাল্কহেড নৌকার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। উপজেলার বাইশমোজা গরুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জনি জেলার সরাইলের পানিশ্বর গ্রামের মিয়া শাহের ছেলে।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, বজ্রপাতে আহত হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় জনিকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার হাওরে বজ্রপাতে মোহাম্মদ রাকিব (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেল ৪টায় উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের কান্তা হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ রাকিব পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের কবিরখান্দান গ্রামে রফিক মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ রাকিব মিয়া দুপুরে হাওরে হাঁসের খামারে খাবার দেওয়ার সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এতে বজ্রপাতের আঘাতে খামারি রাকিব আহত হন। খরব পেয়ে স্বজনরা উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/তৌহিদ

পাঠকপ্রিয়