রাসেল ভাইপারের হাত থেকে বাঁচতে হলে যা করতে হবে

রাসেল ভাইপার

রাসেল ভাইপারের হাত থেকে বাঁচতে হলে যা করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার (২২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে চন্দ্রবোড়া সাপ বা রাসেল ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক নয়, সাবধানতা ও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় বাংলাদেশ বন বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানানো হয়েছে।
 এ বিবৃতিতে বলা হয়, এ সাপে  দংশন করলে অঙ্গ নড়াচড়া করা যাবে না। পায়ে দংশনে করলে বসে যেতে হবে, হাঁটা যাবে না।

হাতে দংশনে হাত নড়াচাড়া করা যাবে না। হাত পায়ের গিড়া নাড়াচাড়ায় মাংসপেশীর সংকোচনের ফলে বিষ দ্রুত রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে গিয়ে বিষক্রিয়া করতে পারে। দংশিত স্থানে কাঁটবেন না, সূই ফোটাবেন না, কিংবা কোন রকম প্রলেপ লাগাবেন না বা অন্য কিছু প্রয়োগ করা উচিত নয়।
আক্রান্ত স্থান সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুতে হবে অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছতে হবে।

এরপর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যেতে হবে। চিকিৎসা কেন্দ্রে এর প্রতিষেধক রয়েছে। প্রতিষেধক বা অসুধ নিলে সুস্থ হওয়া যাবে। এ সাপে দংশন করলে চিকিৎসা নিলে মারা যাওয়ার আশংকা নেই।  

মন্ত্রণালয় বলছে, মানুষের সঙ্গে এই রাসেল ভাইপারের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কম। এই সাপ সাধারণত নীচুভূমির ঘাসবন, ঝোঁপজঙ্গল, বনাঞ্চলে থাকে। তাই ওইরকম এলাকা এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া সাপটি মেটে রঙের হওয়ায় মাটির সঙ্গে সহজে মিশে যেতে পারে। মানুষ খেয়াল না করে সাপের খুব কাছে গেলে সাপটি বিপদ দেখে ভয়ে আক্রমণ করে। রাসেল ভাইপার হওয়ায় নদীর স্রোতে ও বন্যার পানিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হয়েছে। তাই, সকলকে সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাসেল ভাইপার এড়াতে হলে লম্বা ঘাস, ঝোঁপঝাড়, কৃষি এলাকায় হাঁটার সময় সতর্ক থাকুন। গর্তের মধ্যে হাত-পা ঢুকাবেন না। রাতে চলাচলের সময় অবশ্যই টর্চ লাইট ব্যবহার করুন। বাড়ীর চারপাশ পরিষ্কার ও আবর্জনামুক্ত রাখুন। সাপ দেখলে তা ধরা বা মারার চেষ্টা করবেন না।
 প্রয়োজনে জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩ নম্বরে কল করুন বা নিকটস্থ বন বিভাগের অফিসকে অবহিত করুন।

news24bd.tv/ডিডি