'মির্জাপুর' সিজন ৩: কেন এত আগ্রহ দর্শকের 

'মির্জাপুর' সিজন ৩: কেন এত আগ্রহ দর্শকের 

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয় অ্যামাজন প্রাইমের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘মির্জাপুর’-এর তৃতীয় মৌসুম গত বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে। 'মির্জাপুর' সিজন-৩ নিয়ে সকলেরই ছিল প্রবল আগ্রহ। গল্পটা পুরোপুরি সাসপেন্সে ভরা। তবে প্রথম পর্বের পরে কেউই সিরিজটি মাঝপথে ছেড়ে যেতে পারবে না।

যেটা একটি ওয়েব সিরিজের সাফল্য বলা চলে।

প্রথম দুই সিজনের জমজমাট সাফল্যের পর তৃতীয় সিজনও যে মন জয় করবে সকলের, সে বিষয় আশাবাদীও ছিল সকলেই। সিজন ৩ আনতে নির্মাতাদের সময় লেগেছে প্রায় ৪ বছর। প্রথম ও দ্বিতীয় সিজনের মতো এবারও পুরো সিরিজটি গুলিবর্ষণে-হিংসা-প্রতিহিংসায় জমজমাট বলা চলে।

কিন্তু, কালিন ভাইয়া নয়, গুড্ডু ভাইয়া (আলি ফজল) এবার মাতিয়েছে দর্শকদের। অনেকেই ভাবছেন হয়তো গুড্ডু ভাইয়া-কালিন ভাইয়ার সম্পর্কের সমস্ত মুহূর্তকে কাটিয়ে উঠেছেন এই সিরিজের গল্প।

তৃতীয় সিজন শুরু হয় যেখানে দ্বিতীয় সিজন শেষ হয়েছিল। মুন্না ভাইয়া পৃথিবীকে বিদায় জানানোর পর কালিন ভাইয়া কোমায় চলে গিয়েছেন। যে কারণে গুড্ডু ভাইয়াও ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছে। এই সিজনে কালিন ভাইয়ার স্ক্রিন স্পেস একটু কম। যে কারণে গুড্ডু ভাইয়ার ভূমিকাও বেশ বড় করে দেখানো হয়েছে। গুড্ডু ভাইয়ার সঙ্গে গোলুকেও (শ্বেতা ত্রিপাঠী) দেখা যাচ্ছে অন্যফর্মে। তাদের মধ্যেও আগের চেয়ে একটু বেশি প্রভাব দেখা গিয়েছে।

গুড্ডু ও গোলুর প্রতিশোধ নেওয়া শেষ হলেও এখন লড়াই মির্জাপুরের সিংহাসনের জন্য। প্রভাবশালীদের একটি বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে। গুড্ডু ভাইয়াও সেই সাক্ষাতের একটি অংশ বলা চলে। বৈঠকের বিষয় 'মির্জাপুর'-এর সিংহাসনে কে বসবেন? গুড্ডু ভাইয়া নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তিনি এখন মির্জাপুর শাসন করবেন এবং কালিন ভাইয়ার চেয়ারও দখল করেছেন। তবে এখানেও একটি বাধা রয়েছে। কী সেই বাধা? এটা জানার জন্যই পুরো সিজন দেখতে হবে।

তবে কেউ যদি এই সিরিজের প্রথম এবং দ্বিতীয় সিজন দেখে থাকেন, তাহলে তৃতীয় সিজনেও তেমন বিরক্ত হবে না। তবে এই সিজন খানিক অন্যরকম। প্রতিটা বিষয় খানিক পরিমাপ করেই ফুটে উঠেছে। কারও কারও মনে হতে পারে গল্পটা জোর করে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে কারও আবার এমনটাও মনে হতে পারে কোনওকিছুর কমতি নেই। অভিনয়ের কথা বলতে গেলে, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, আলি ফজল, বিজয় বর্মা, রসিকা দুগ্গাল, ইশা তলওয়ার, শ্বেতা ত্রিপাঠি, লিলিপুট এবং অন্যান্য সমস্ত শিল্পীরাও দুর্দান্ত কাজ করেছেন।

এবার আসা যাক- এই সিরিজে অভিনয়ের জন্য কে কত পারিশ্রমিক পেয়েছেন
‘মির্জাপুর ৩’ থেকে পঙ্কজ ত্রিপাঠী ১০ কোটি রুপির বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন। ‘গুডডু’ ওরফে আলী ফজল ‘মির্জাপুর ২’–তে পর্বপ্রতি চার লাখ রুপি নিয়েছিলেন। এবার প্রতিটি পর্বের জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ১২ লাখ রুপি করে। ‘মির্জাপুর ৩’–এ মোট ১০টি পর্ব রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর পারিশ্রমিক দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি।

বীণা ত্রিপাঠী ‘কালিন ভাইয়া’র স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে এবার প্রতিটি পর্বের জন্য দুই লাখ রুপি পেয়েছেন রসিকা দুগাল।
অন্যদিকে সিরিজে ‘গোলু’র ভূমিকায় অভিনয় করা শ্বেতা ত্রিপাঠী প্রতিটি পর্বের জন্য পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার রুপি।

news24bd.tv/TR   

 

এই রকম আরও টপিক

সম্পর্কিত খবর