শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০ | আপডেট ০৩ মিনিট আগে

কেরোসিনের আগুনে গেল আরেক নারীর প্রাণ

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

কেরোসিনের আগুনে গেল আরেক নারীর প্রাণ

চলে গেলেন শাহিনুরও। প্রতীকী

স্ত্রীর স্বীকৃতি চাওয়ায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের দগ্ধ শাহিনুর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে রোববার তাকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানান চিকিৎসক। দগ্ধ শাহিনুর চট্রগামের রাউজানের নতুন হাট এলাকার সোনাগাজী গ্রামের জাফর আলমের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার শাহেনুর চট্টগ্রাম থেকে স্ত্রীর দাবি নিয়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরফলকন আয়ুব নগরের মহর আলীর ছেলে রিক্সাচালক সালাহ উদ্দিনের কাছে আসেন। তার দাবি মুঠোফোনে সম্পর্ক ও পরে তাদের বিয়ে হয়। দেড় বছর আগে চট্টগ্রামে বিয়ে হয় তাদের। পরে শাহেনুর জানতে পারেন, সালাহ উদ্দিন বিবাহিত। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে।

রোববার বিকেলে সালাহ উদ্দিনের বাড়িতে ওই যুবতী গেলে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের কাছে গেলে বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। এসময় বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে আসতে যান শাহেনুর। এরপর সালাহ উদ্দিনের বাড়ির অদূরে অগ্নিদগ্ধ হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে করইতলা হাসপাতালে ও পরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সফিউজ্জামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রকিবুজ্জামান।

হাসপালে ভর্তি থাকা শাহিনুর আক্তার এর আগে জানান, তিনি তার স্বামী সালাহ উদ্দিনের কাছে আসলে স্বীকৃতি না দিয়ে উল্টো তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুঠোফোনে সম্পর্কের জের ধরে দেড় বছর আগে সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয় বলে দাবি করেন।

নিহত দগ্ধ ওই নারীকে পুলিশের তত্ত্বাবধানে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয় বলে জানান লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন। 

অগ্নিদগ্ধের কারণ ও অভিযুক্ত সালাহ উদ্দিনকে খুঁজছে পুলিশ। দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানান তিনি।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য