গ্রিনলাইনকে ২২ মে পর্যন্ত সময় দিলেন হাইকোর্ট

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

 গ্রিনলাইনকে ২২ মে পর্যন্ত সময় দিলেন হাইকোর্ট

প্রতীকী ছবি

গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেট চালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের বাকি ৪৫ লাখ টাকা ২২ দিতে  ২২ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গ্রিনলাইন পরিবহনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সময় দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা ও আইনজীবী উম্মে কুলসুম স্মৃতি। গ্রিনলাইনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অজি উল্লাহ।

এর আগে ১০ এপ্রিল রাসেল সরকারকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বাকি ৪৫ লাখ টাকা দিতে গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ এক মাস সময় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এরপর আদালত রাসেলকে ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিয়ে এ মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য ২২ মে তারিখ ধার্য করেন।

গেল বছরের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচালক ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাইভেটকার চালকের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের (২৩) বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি হাইকোর্টে রাসেলের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট দায়ের করেন। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারিসহ রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাদক মামলা থেকেও ইরফান সেলিমকে অব্যহতি

অনলাইন ডেস্ক

মাদক মামলা থেকেও ইরফান সেলিমকে অব্যহতি

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে চকবাজার থানায় দায়েরকৃত মাদক মামলা থেকেও অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান এ আদেশ দেন।

গত ৪ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এরফান সেলিমের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


এর আগে রাজধানীর চকবাজার থানার অস্ত্র মামলায়ও ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি দেয় আদালত। ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাকে অব্যাহতি দেন।

উলেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে এরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে মারধর করে। 

ওই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। বর্তমানে আসামিরা কারাগারে রয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় 
আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ইয়াবা মামলায় এহেছান উল্যাহ্ প্রকাশ ওরফে আমান উল্যাহকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বিকালে জেলা জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন। এসময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত এহেছান উল্যাহ কক্সবাজার চকরিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আনোয়ারুল হক এর ছেলে। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে সড়কে অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এহেছান, তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া ও শ্যালিকা রাজিয়া বেগম প্রকাশ জারিয়াতুল মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত মোট ৯জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামী জান্নাতুল মাওয়া ও রাজিয়া বেগমমে খালাস দেয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামী এহেছানকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। 

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলায় মেহেরুনন্নেছা নামে এক গৃহবধুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

আজ (২৮ফেব্রুয়ারি) রোববার সাতক্ষীরা বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষনা করেন।

মামলার একমাত্র আসামি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের নিহত জাকির হোসেন ওরফে ছোট বাবুর স্ত্রী মেহেরুনন্নেছাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের স্বশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে জামিনে থাকা আসামি মেহেরুনন্নেছা পালিয়ে যান।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মোল্যার মেয়ের সাথে একই উপজেলার  শরাফপুর গ্রামের জহির উদ্দিন সরদারের ছেলে জাকির হোসেন ওরছে ছোট বাবুর বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী মেহেরুনন্নেছার পরকিয়ার কারনে স্বামী জাকির হোসেনের সাথে বিরোধ চলচ্ছিল। হঠাৎ ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরুনন্নেছা তার স্বামী জাকির হোসেনকে কুড়াল দিয়ে স্বামীর বাড়ীতেই কুপিয়ে হত্যা করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় রক্তমাখা অবস্থায় গ্রামবাসী আটক কওে আশাশুনি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আজহারুল সরদার বাদী মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মনজিত কুমার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় ২২ জন স্বাক্ষীরা মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ কোটের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের পর গলায় ও যৌনাঙ্গের চারপাশে ১০ কোপ, আসামির যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের পর গলায় ও যৌনাঙ্গের চারপাশে ১০ কোপ, আসামির যাবজ্জীবন

বরগুনায় ২১ বছরের এক তরুণীকে  ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় দেন। আসামির নাম শাহিন (২৫)। বরগুনা পৌর শহরের উকিল পট্টির বাসিন্দা মৃত সফিজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে শাহিন।

আসামিকে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড , অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০৭ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আমরা এই রায়ে সন্তষ্ট হয়েছি।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি শাহিনের সঙ্গে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া এলাকার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিষয়টি পরিবার জানতে পরে ওই তরণীকে শাহিনের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। এই ঘটনার পর তরুণী প্রথমে তার এক স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যান এবং পরে সেখান থেকে কুয়াকাটায় যান। পরের দিন সেখান থেকে ফিরে বরগুনা শহরের টাউনহল এলাকায় শাহিনের সঙ্গে দেখা হয়। সেখানে অনেকক্ষণ কাথাবার্তা শেষে শাহীন তাকে নিয়ে ঢাকা যেতে চাইলে তরুণী রাজি হন। পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শাহীন একটি বটিসহ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন।

শাহীন ওই তরুণীকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের পশ্চিম ধুপতি এলাকার ইটভাটায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে সঙ্গে থাকা বঁটি দিয়ে তরুণীর গলার ডানপাশে দুইটি কোপ দেন। এছাড়া যৌনাঙ্গের চারপাশে ৮টি কোপ দেন। তরুণী মারা গেছে ভেবে নদীর পাড়ে ফেলে চলে যান শাহীন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ঘটনার পরের দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তরুণীর বাবা বাদী হয়ে ২০০৮ সালে বরগুনা সদর থানায় শাহিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

এ ব্যাপারে আসামিপক্ষের আইনজীবীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এই রায় দেন।

মামলার একমাত্র আসামি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের নিহত জাকির হোসেনের স্ত্রী মেহেরুননেসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের  কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এর আগে জামিনে থাকা আসামি মেহেরুননেসা পালিয়ে যান।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরেুননেসা তার স্বামী জাকির হোসেনকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আশাশুনি থানা-পুলিশ মেহেরুননেসাকে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ। আসামে পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর