বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ৩৩ মিনিট আগে

প্রশ্নপত্র ফাঁস: ২১ জনের দুই বছর করে কারাদণ্ড

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রশ্নপত্র ফাঁস: ২১ জনের দুই বছর করে কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পাঁচ হোতাসহ ২১ জনকে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুর রহমান প্রত্যেককে ২ বছর করে সাজা দেন।

এর আগে শুক্রবার সকালে কলারোয়া থানার সোনালী সুপার মার্কেটের কিডস কোচিং সেন্টার থেকে ওই চক্রের সদস্যদের আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সদস্যরা।

আটক পাঁচজন হলেন- কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার পরানখালি গ্রামের মৃত আহসান আলীর ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম, সাতক্ষীরার কলারোয়ার ঝাপাঘাটা গ্রমের আব্দুল আজিজের ছেলে জনতা ব্যাংক ম্যানেজার আফতাবুজ্জামান, একই উপজেলা একই গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে শিক্ষক আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে কৃষি ব্যাংক ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম, একই উপজেলার কাকবাশিয়া গ্রামের রইছ উদ্দীনের ছেলে শিক্ষক তরিকুল ইসলাম।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল সৈয়দ নুর সালেহীন প্রেসব্রিফিং এ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলারোয়া থানার পার্শ্ববর্তী সোনালী সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ নারীসহ ২৮ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তালা উপজেলার ধানদিয়া এলাকা থেকে আব্দুল হালিম নামের এই চক্রের আরো এক হোতাকে আটক করা হয়। এনিয়ে মোট ২৯ জনকে আটক করে র‌্যাব। এর মধ্যে ২১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ বছরের সাজা প্রদান করা হয়।

বাকী আটজনের (অভিভাবক) বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পেরেছি ঢাকায় বসে একটি প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্র ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের কাছে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ও তার উত্তর বলে দেবে। এসব প্রশ্ন ও উত্তর ব্লাকবোর্ডে লিখে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়। এজন্য সিন্ডিকেটের হাতে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকা দিতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। বাকি টাকা পরীক্ষা শেষে দেওয়ার কথা ছিল।

তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটির কাছ থেকে যে প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়েছে তার সঙ্গে মূল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/জুঁই/তৌহিদ)

মন্তব্য