শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০ | আপডেট ৪৪ মিনিট আগে

‘নিয়ন্ত্রণহীন রাঙামাটির ঈদ বাজার’

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

‘নিয়ন্ত্রণহীন রাঙামাটির ঈদ বাজার’

ঈদের কেনাকাটা করছে সাধারণ মানুষ

সামনে ঈদ। তাই জমজমাট মার্কেট। বাহারি নামের পোশাকে সরব শপিংমল। ভিড়ও রয়েছে চোখে পরার মতো। তবে নিয়ন্ত্রণহীন বাজারদর। তবে বিক্রেতারা বলছে কাপড়ের মান আর ডিজাইন দেখে রাখা হচ্ছে দাম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটির জুড়ে হাতেগোনা রয়েছে মাত্র কয়েকটি মার্কেট। যার মধ্যে অন্যতম রাঙামাটি বিএম শপিং কমপ্লেক্স, এস কে মার্কেট, আই সি আর মার্কেট, রির্জাভ বাজার মসজিদ মার্কেট ও মাতব্বর মার্কেট। তাই অতি সহজে স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এসব শপিংমলগুলো।

প্রতিবছরের মতো ঈদকে সামনে রেখে এসব মার্কেটগুলোতে ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের নাটকের সঙ্গে মিল রেখে আনা হয় বাহারি ডিজাইনের কাপড়। নাম শুনে মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় জমলেও, দাম শুনে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে অনেকে।

ঈদের শপিং করতে এসে এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, মানের বালাই নেই। টিসু কাপড়ের উপর স্টনের কাজ। এ কাপড়ের দাম ৭থেকে ১০হাজার টাকা। যা নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। কিন্তু ঈদ বলে কথা। নতুন জামার আমেজ ঈদের আনন্দটা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। তাই বাধ্য হয়ে বিক্রেতাদের কাছে জিম্মি হয়ে পরছে সাধারণ মানুষ।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, ঈদ বাজারের কাপড়সহ সব জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রাহক হয়রানি বন্ধ করতে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ কোনো মার্কেট কিংবা দোকানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযান চলবে। 

অন্যদিকে ঈদকে সামনে রেখে রাঙামাটির ফ্যাশন হাউজগুলো নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক দিয়ে দোকান সাজিয়েছে। সেই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকেও কাপড় আনা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। চাহিদা রয়েছে পরকীয়, নিকা, পদ্মাবতীসহ ভিন্ন ভিন্ন নামে পোশাকের। তবে সবচেয়ে চাহিদা বেশি ‘পরকীয়া’ নামক মেয়েদের এক পোশাকের। তাই দামও হাঁকানো হচ্ছে উচ্ছেমতো।

(নিউজ টোয়েন্টেফোর/মুমু/তৌহিদ)

মন্তব্য