মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৬ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে

ওসি মোয়াজ্জেম এখন সোনাগাজী থানায়

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

ওসি মোয়াজ্জেম এখন সোনাগাজী থানায়

গ্রেপ্তার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে ফেনী পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে শাহবাগ থানা-পুলিশ। সোমবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।

সোনাগাজী থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, ওসি মোয়াজ্জেমকে ফেনীর সোনাগাজী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমাদের একটি টিম সেখানে আছে। ডিএমপির সহযোগিতায় তাকে আদালতে নেওয়া হবে। 

রোববার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে হাইকোর্ট এলাকা থেকে শাহবাগ থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। আর সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। চার্জশিটেও তার নাম আছে। সুতরাং তার ছাড় পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী তিনি শাস্তি প্রাপ্ত হবেন। যেহেতু তিনি পলাতক তাই তাকে খুঁজে পেতে একটু সময় লাগছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল তিনি মারা যান। এর আগে গত ২৬ মার্চ ফেনীর সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা তার অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানি করেন। পরে সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুই দিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য