মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৬ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে

‘ধূমপানের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই’

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

‘ধূমপানের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই’

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক’ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিশেষ বাজেট আলোচনার আয়োজন করে নিউজ টোয়েন্টিফোর। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন মিজানুর রহমান।

এতে উপস্থিত ছিলেন- এনবিআর এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন আহমেদ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী, নাগরিক টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক শাহনাজ শারমীন, সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের (সুপ্রা) চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল।

এনবিআর এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন আহমেদ বলেন, যে বাজেট পেশ করা হয়েছে এতে সিগারেট কোম্পানীগুলোর স্বার্থ পূরণ হয়েছে। সরকার সিগারেট থেকে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা পায়। কিন্তু স্বাস্থের ক্ষতি হচ্ছে ৩১ হাজার কোটি টাকার। অথচ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হবে জনস্বাস্থ রক্ষা করা।

তামাকের ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক ব্যবহারের ফলে শরীরের প্রত্যেক অঙ্গের ক্ষতি হয়। হৃদরোগ ও ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে তামাক। এছাড়া কোনো গর্ভবতী নারী পরোক্ষ ধুমপানের শিকার হলে তার গর্ভের সন্তানের গ্রোথ (বৃদ্ধি) কমে যায়। আর জর্দা, সাদা পাতা ও গুলের কারণে হয় মুখের ক্যান্সার। এই মুখের ক্যান্সারের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

নাগরিক টেলিভেশনের প্রধান প্রতিবেদক শাহনাজ শারমীন বলেন, ভারতের অর্ধেক দামে আমাদের দেশে সিগারেট পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ধূমপানের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। যিনি আইন প্রয়োগ করবেন তিনিই সিগারেট পান করছেন। এছাড়াও ধূমপানের কারণে যে জরিমানা করা হয় তা অনেক কম।

সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের (সুপ্রা) চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল বলেন, তামাকের কুফল সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তামাক বিরোধী আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য উন্নয়ন সার চার্জ ১ শতাংশ থেকে ২ শতাংশ বাড়ানোর কথা বলা হলেও এবারের বাজেটে তা করা হয়নি। যা আগামীতে করা হবে বলে আমরা আশা করি। যা দিয়ে তামাক বিরোধী প্রচারাভিযান করা যাবে।


 
(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য