মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০২ মিনিট আগে

ধীরগতির যান চলাচলে আলাদা লেন করতে নির্দেশ শেখ হাসিনার

অনলাইন ডেস্ক:

ধীরগতির যান চলাচলে আলাদা লেন করতে নির্দেশ শেখ হাসিনার

সারা দেশের সড়ক মহাসড়কগুলোতে ধীরগতির যান চলাচলের জন্য আলাদা লেন ও মহাসড়কে বাস বে তৈরির পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা যাতে দোকান বা টয়লেট বানাতে পারেন সেজন্য জমি নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া রাস্তা প্রশস্ত ও পুরু করার অনুশাসনও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনা তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া দেশের জাতীয়, জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ের সব সড়ক পর্যায়ক্রমে প্রশস্ত ও পুরু করা এবং পুরনো সরু সেতু ভেঙে নতুন করে করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এম এ মান্নান বলেন, মহাসড়কে স্লো মুভিং ভেহিকেল (রিকশা, ঠেলাগাড়ি) যাতে নিরাপদে চলতে পারে, তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। খালি দ্রুতগতির গাড়ি চলে যাবে ধুলা উড়িয়ে, মানুষ মেরে তা সম্ভব নয়। ঠেলাগাড়ি, রিকশা, ভ্যানগাড়ি যেন সব সড়কে পুরো নিরাপত্তার সঙ্গে চলতে পারে। এটা প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ নির্দেশনা।

তিনি বলেন, দেশের সব সড়ক পর্যায়ক্রমে প্রশস্ত করতে হবে। জাতীয়গুলো হবে, আঞ্চলিকগুলো হবে, জেলাগুলোও হবে। প্রতিটি মান অনুযায়ী প্রশস্ত হবে। প্রতিটি সড়ক আগের তুলনায় পুরু হবে, যাতে লোড বহন করতে পারে সড়কগুলো।

তিনি আরও জানান, মহাসড়কে আমরা জায়গা দেব, কিন্তু দোকান তুলে দেব না। ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যবসা করতে পারবেন যে কেউ।তাছাড়া সড়কের যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিহন মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


(নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল)

মন্তব্য