বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০১ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে

এক রাতে মাদ্রাসাছাত্রী ও বিধবা নারীকে ধর্ষণ

ভোলা প্রতিনিধি

এক রাতে মাদ্রাসাছাত্রী ও বিধবা নারীকে ধর্ষণ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একই দিন রাতে অষ্টম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৩) এবং অপর এক বিধবা (৩৫) নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে বড় মানিকা এবং ফুলকাচিয়া এলাকায় দুটি ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার উভয় ভিকটিমকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ভিকটিমদের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ৮ম শ্রেণির ওই ছাত্রীর মা তাকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। 

এ সুযোগে একই এলাকার আব্দুল রশিদের ছেলে মো. সোহাগ ছাত্রীকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই ছাত্রীর বাবা বাড়ি আসলে তার মেয়ের ডাকচিৎকার শুনতে পায়। বাবা এগিয়ে গেলে ধর্ষক তার পিতাকে মারধর করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা আজ শুক্রবার বিকেলে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অপরদিকে একই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের বিধবা নারী (৩৫) বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের পাশে মুরগীর খামারে খাবার দিতে গেলে ওই এলাকার মাদক সেবী মাকসুদ, ছালাউদ্দিন ও আলমগীর তাকে মুখ চেপে পার্শ্ববর্তী গরুর খামারে নিয়ে হাত পা বেঁধে গণধর্ষণ করে। 

পরে সকালে স্থানীয়রা তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে ধর্ষিতার বড় বোন মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। 

ভোলা সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সারজিনা জানান, ধর্ষিতাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. এনামুল হক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাত্রীর ধর্ষণের বিষয়ে ছাত্রীর বাবা তিন জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। এবং অপর ধর্ষণের বিষয়ে এখন কোন অভিযোগ থানায় আসেনি। তিনি আরো জানান, আমরা আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। 

উল্লেখ্য, এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে ভোলায় ৩ শিশুসহ ৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত ঈদের আগের দিন রবিবার রাতে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান দুই আসামি বুধবার রাতে ক্রসফায়ারে মারা গেছে। তবে ঈদের আগের সপ্তাহে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। 


(নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল)
 

মন্তব্য