শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৪ মিনিট আগে

আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম!

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম!

ঈদুল আজহার এক সপ্তাহ আগে পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রি হলেও ঈদের পরপরই দাম কিছুটা কমতে থাকে। একইভাবে দাম কমে আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচের। 

তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুন-আদাসহ মসলার দাম। কেজিপ্রতি আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচ ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পরে পাইকারি বাজারে মালামাল সংকট থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। রাজধানীর কাওরান বাজার, খিলগাঁও, মালিবাগ, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কাঁচাবাজার, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে ৫৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। 

একইভাবে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন। এসব বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, ভারত থেকে আমদানি করা রসুন ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজি দরে। 

এছাড়া প্রতিকেজি আদার দাম বেড়েছে ১০ টাকা। দেশি আদা ২০০ থেকে ২১০ টাকা, আমদানি করা আদা (মোটা) ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এদিকে, ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে অপরিবর্তিত আছে জিরা, জয়ত্রী, গোল মরিচ, এলাচ দারুচিনির দাম। এসব বাজারে প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকা কেজি, জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকায়, লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায়, গোল মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়, জিরা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, দারুচিনি ৪৫০ টাকায়। খোলা হলুদ ও মরিচ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।


(নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল)

মন্তব্য