মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০৩ ঘন্টা ০৯ মিনিট আগে

আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক

আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন

আজ শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় খামারবাড়ি কৃষিবিদ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। 

এর আগে সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার (মেরুল বাড্ডা) ও সকাল ৯টায় খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস চার্চ (৭/৩/এ, সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) এবং সকাল ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। 

এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। একই দিন ঢাকাসহ সারা দেশে সব সহযোগী সংগঠন শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

বঙ্গবন্ধু ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব দম্পতির প্রথম সন্তান শেখ হাসিনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর নেতৃত্বে এ দেশে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। পুরো রাজনৈতিক জীবনে শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু টুঙ্গিপাড়ায়। পরে ১৯৫৪ সালের পর ঢাকায় টিকাটুলীর নারী শিক্ষা মন্দিরে (বর্তমানে শেরেবাংলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ) ভর্তি হন তিনি। শেখ হাসিনা ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্রসংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। 

কলেজ জীবন শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শেখ হাসিনা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপথগামী একদল সেনা সদস্য যখন বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেন তখন শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে ছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়ার বাসায়। পিতা, মাতা ও ভাইদের হারানোর শোকগ্রস্ত শেখ হাসিনা আশ্রয় নেন ভারতে। তিনি ছয় বছর ভারতে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন। এর আগেই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তাঁকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। 

৩৪ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের মতো একটি পুরনো ও বৃহৎ দলের সভাপতির দায়িত্ব নেন। তৎকালীন আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা, দলের অভ্যন্তরে অনেক জ্যেষ্ঠ নেতার বিরোধিতাসহ নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেন। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে দিশেহারা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপরে দাঁড় করান। ফলে ১৯৯৬ সালে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তবে ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত হয় আওয়ামী লীগ। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনে আবারও ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সেই থেকে এখন পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী আছেন শেখ হাসিনা। 


(নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল)

মন্তব্য